একটা ছোট্ট ভুল নষ্ট হয়ে যায় সন্তান সুখের আনন্দ৷ কষ্ট পায় সদ্যোজাত৷ সেই রোগটির নাম থ্যালাসেমিয়া৷ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুর পৃথিবীতে আসার সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে৷ ভারতবর্ষে থ্যালাসেমিয়া কেরিয়ার এমন মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১০-১২ শতাংশ৷ থ্যালাসেমিয়া জিনগঠিত অসুখ৷ বাবা-মায়ের থেকে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে এই রোগ বাহিত হয়। সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের মূল লক্ষ্য হল দেশ থেকে থ্যালাসেমিয়াকে দূর করা।
এছাড়াও সেরাম অন্যান্য কাজে উদ্যোগি হয়। গত ১১ বছর ধরে তারা শারদ বরণ পালন করে আসছে। বিভিন্ন থিমের ওপর তারা কলকাতা হাওড়ার পুজো কমিটির দুর্গা পুজো মণ্ডপ বাছাই করে পুরস্ক্রিত করেন। এবার তাদের শারদ বরণ ২১ বছরে পা দিল। এ বছরও তারা সময়োপযোগী ও অপরিহার্য কর্মসুচি গ্রহণ করেছে। শুক্রবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংস্থার পক্ষ থেকে সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনের সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য্য সেই কর্মসুচির কথা জানান।

এবার সেরাম শারদ বরন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক পুজো কমিটির পাঁচ জন সদস্যকে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দেওয়ার কর্মসুচি নিয়েছে। সেরাম অ্যানালাইসিস সেন্টার প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত দুটি ভ্যাকসিন সেন্টার থেকে এই ভ্যাকসিন্দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার থেকেই সেরাম শারদ বরন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে ৩০ তারিখ পর্যন্ত নাম নথিভূক্তকরা যাবে।
শেরাম শারদ বরন অনুষ্ঠান এ বছরও অন্যান্য বারের মতো কলকাতাকে চারটি ভাগে ভাগ করেছে- উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম। এছাড়া হাওড়া ও সল্টলেক রয়েছে। বিচারকরা প্রথম পর্বের প্রতিটি অংশ থেকে ২৫ টি সেরা প্রতিযোগী বাছাই করবে। তারপর চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রতিটি অংশের জন্য সেরা প্রতিমা, সেরা ভাবনা, সেরা কম বাজেটের পুজো ও সেরা সমাজবন্ধু পুজো বাছাই করা হবে। ষষ্ঠীর দিন ২০টি পুরস্কার প্রাপকের নাম সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।