Exclusive
হুগলির গুপ্তিপাড়া ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেপুরের বাসিন্দা শেখ হাসেম। তাঁর ৬ বছরের শিশুকন্যা কিডনির অসুখে ভুগছে। বছর দুয়েক ধরে চিকিৎসা করাতে করাতে সর্বস্বান্ত পরিবার। চিকিৎসক বলেছেন, মেয়েকে বাঁচাতে একটা কিডনি বাদ দিতে হবে। এই মাসে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তির ডেট। তার আগে শুক্রবার ১৭ এপ্রিল শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। স্থানীয় নেতা, পঞ্চায়েতের কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি। ফোনে পাওয়া যায়নি বলাগড়ের বিধায়ক অসীম মাঝিকে। এরপর শনিবার ‘দিদিকে বলো’তে ফোন করেন শেখ হাসেম। মেলে সাহায্যের আশ্বাস। শেখ হাসেম জানালেন, জমি বেচে মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করেছি। দিনমজুরদের কাজ করি, লকডাউনে তা বন্ধ। হাতে এক পয়সা নেই। কীভাবে যে চিকিৎসা করাব? গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে না পারলে মেয়েকে যে বাঁচাতে পারব না। এই চিন্তা যখন করছি তখন শান্তনু বন্দোপাধ্যায় ফোন করে স্বস্তি দিলেন।

হুগলি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে ফোন করে আমাকে এই অসহায় পরিবারের কথা জানানো হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর থেকেই শিশুটিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। আমি খবর পেয়েই একটি গাড়ি পাঠিয়েছি। দুপুরের মধ্যেই ওঁরা হাসপাতালে পৌঁছে যাবেন। শেখ হাসেম বলেন, হাতে এক পয়সাও ছিল না। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে আর্থিক সহযোগিতাও করেছেন। এই বিপদে তিনি যেভাবে পাশে দাঁড়ালেন তা আজীবন মনে রাখব। আর দিদির অফিসে ফোন করলে যে এতো তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা হয় তা নিজে দেখলাম। আমি কৃতজ্ঞ। এই কথা শেষ করেই শান্তনুর জোগাড় করে দেওয়া গাড়িতে চড়ে মেয়ের জীবন বাঁচাতে কলকাতা রওনা দিলেন পেশায় দিনমজুর শেখ হাসেম।

Great work for mankind. Kidney related disease treatment involves high cost. Mr. Sankanu Banerjee has done a great job for this distressed child through ‘ Didi ke bola. Mr. S Banerjee reflects the highness of our beloved CM madam and Mr. Abhishek Banerjee. Well… Go ahead.