করোনা সংক্রমণকে ঠেকাতে সারা দেশজুড়ে টানা লকডাউন চলছে। বাংলাও তার ব্যাতিক্রম নয়। ঘরবন্দি বাংলার মানুষ। লকডাউনের ফলে প্রান্তিক, গরিব মানুষগুলো আজ সব চেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন। তাই তাঁদের পাশে প্রথম থেকেই দাঁড়িয়েছে বাংলার মা মাটি মানুষ সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে চলছে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কাজ। বাংলা দেখেছে, মুখ্যমন্ত্রী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন গরিব পরিবারের হাতে।

এই মানবিক কর্মকান্ড দেখে থেমে থাকেনি তৃণমূল যুব সংগঠন। হুগলি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা জেলার বিভিন্ন জায়গায় দুঃস্থ, গরিব পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন নিয়মিত। নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলার যুব তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শান্তনু ব্যানার্জী। যুব সভাপতির পাশাপাশি তিনি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ। দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সচেতন হওয়াটাই যে সবচেয়ে জরুরি সেই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজটাই করছেন শান্তনু। বাড়ি বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি বাজার এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে নিয়মিত সচেতন করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা বাজার এলাকায় মাইকিং করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। বাজার করার সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যের দূরত্ব কতটা তা এঁকে কিংবা বলে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। একই সাথে গরিব মানুষের ঘরে যাতে খাবার পৌঁছোয়, সেটাও দেখছেন যুব সভাপতি হিসেবে। দ্বৈত ভূমিকায় কাজ সামলাচ্ছেন শান্তনু।

তিনি জানালেন, বাংলার মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে মুখ্যমন্ত্রী যে কাজ করে চলেছেন তা বাংলা তথা দেশের মানুষ দেখছেন। দলমত নির্বিশেষে সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়কে। আমরা তাঁর কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি কিভাবে পরিষেবা দিতে হয়। গরিব, শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের পাশে কিভাবে দাঁড়াতে হয় তা দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। দেশের কাছে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাই তাঁর পথেই আমরা সবাই কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সব গরিব মানুষ যেন দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বাচঁতে পারেন সেটা দেখাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
I like very much