রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের কার্যত হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। এরপর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন ঘটে তৃণমূলের। বিজেপির ২০০-র বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতা দখলের স্বপ্নভঙ্গ হলে বিজেপি নিয়ে চরম হতাশার সৃষ্টি হয়। ফলত ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই শুরু হয়ে যায় উল্টো স্রোত।

বিজেপি থেকে তৃণমূলে প্রত্যেকদিনই রাজ্যের কোথাও না কোথাও তৃণমূলে যোগদানের খবর আসছে। উত্তরবঙ্গে বিজেপি তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করলেও সেখানেও স্বস্তিতে নেই তারা। উত্তরবঙ্গেও গেরুয়া শিবির ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগদানের ঘটনা ঘটছে। উলটো স্রোত থেমে নেই হুগলীতে। এর আগে খানাকুলের একঝাঁক বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগ দেন ফিরহাদ হাকিমের হাত ধরে। তাঁদের সঙ্গে প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মী–সমর্থকও তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।

সোমবার হুগলীর সিঙ্গুর বিধানসভার বড়া পঞ্চায়েতের ২১৩ নং বুথের বিজেপি সদস্য কিশোর দোলুই সহ ৫৫ জন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করলেন বড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বৈঠকে। এদিন বিজেপি ছেড়ে আসাদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন রাজ্য সরকারের শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্না। উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোবিন্দ ধাড়া, সাঃ সম্পাদক দুধকুমার ধাড়া-সহ প্রধান, উপপ্রধান এবং আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি, নেতৃত্ববৃন্দ।