শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে যে, করোনাভাইরাসের আউটব্রেক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রিঅ্যাক্ট করেছেন এবং তিনি ভারত সরকারের আগেই এখানে লকডাউন ঘোষণা করে দিয়েছেন। আর দ্বিতীয় কথা, অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে তিনি করোনাভাইরাসের মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে তৈরি করে দিয়েছিলেন। সচেতন করেছিলেন। আমরা কনসাস ছিলাম, কিন্তু সাধারণ মানুষ তো খুব একটা কনসাস নয়, সচেতন নয়, তা তিনি সেটা করেছেন। লকডাউন ঘোষণা করেছেন, নিজে রাস্তায় নেমেছেন এবং এখনও লাগাতার তিনি প্রচার করছেন। মানুষকে অভয় দিচ্ছেন এবং মানুষকে ভরসা দিচ্ছেন। তাঁর রিসোর্স যতখানি আছে, যা কিছু আছে, বিশাল জনসংখ্যার জন্য এটা যে এমন কিছু নয় তা আমরা জানি। কিন্তু যেটুকু রিসোর্স তাঁর হাতে আছে সেটা যে তিনি মানুষের সেবায় কাজে লাগাছেন তা অসাধারণ। শুধু আমার কাছে নয়, যাদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি তারাও এক কথায় বলেছে অসাধারণ। আমরা সবাই খুব মুগ্ধ তাঁর কাজকর্ম দেখ। সবচেয়ে বড়ো কথা তাঁর সাহস, তৎপরতা এবং আগ্রহ দেখে। এই একটা জিনিস যেটা এই সঙ্কটের সময় মানুষ মানুষকে চিনতে পারে। আরও সত্যি কথা আজকে আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিনলাম। বরাবরই আমি ওঁর কাজকে পছন্দ করি, ওঁর নানারকম গুণাবলীর জন্য মমতাকে আমি একটু আলাদা করে দেখি। এই একটা সঙ্কটপূর্ণ মুহূর্তের সময় ওঁর ভূমিকা একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে যাবে। তৃতীয় কথা, তিনি শুধু চিকিৎসাব্যবস্থা নয়, সমস্ত হাসপাতালগুলিকে তৈরি রাখছেন তা নয়, নানা জায়গায় তিনি কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ড তৈরি করেছেন, মেডিক্যাল কলেজকে পুরোপুরি করোনা হাসপাতালে পরিণত করেছেন। বড়ো বড়ো জায়গা তিনি খালি করিয়ে দিচ্ছেন, যে হাসপাতাল এখনও শুরু হয়নি সেখানটাও তিনি তৈরি করে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে। রোগী দেখার জন্য অহরহ ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন। এগুলি অত্যন্ত ইনোভেটিভ কাজ, এর মধ্যে নতুনত্ব আছে, এর মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি আছে এবং মানুষকে রোগমুক্তি থেকে উদ্ধার করার জন্য মানবিক আগ্রহ, এ সমস্ত কিছু মিলিয়ে মিশিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন যে ভূমিকা পালন করছেন তা আমাদের কাছে অত্যন্ত…কী বলবো একটা অত্যন্ত দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
তবে আমার একটা অভিযোগ আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে কিন্তু খুব একটা সতর্ক থাকছেন না। মাঝে মাঝে টিভিতে দেখছি কখনও মাস্ক পড়ছেন,কখনও খুলে ফেলছেন। রাস্তাঘাট, বাজার-দোকান, যেখান সেখানে বেড়িয়ে পরছেন। এই করতে গিয়ে তিনি নিজে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা আরও বিপদে পড়ে যাব। আমি চাই, ও সুস্থ থেকে আমাদের পরিচালনা করুক। আমার অনুরোধ, তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাটা যেন দেখা হয়। যাঁরা ওঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন তাঁদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা ওঁকে একটু দেখুন। ক্রমশ মানুষকে সতর্ক থাকার কথা বলছেন, কিন্তু নিজে ততটা সতর্ক থাকছেন না। এটা ওঁর পক্ষে নিরাপদ নয়। আমি অনুরোধ করবো, মমতা নিজের নিরাপত্তা দেখে ও মেনে চলুক। ওঁর কিছু হলে আমরা বিপদে পড়ে যাব। আমরা যে ওর মুখাপেক্ষী হয়ে বসে আছি। সত্যি এই মুহূর্তে ওঁর যদি কিছু হয়ে যায় আমরা সকলে হতাশ হয়ে পড়বো। তাই বলছি, মুখ্যমন্ত্রীর নিজেকে সুস্থ রাখাটা আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে খুব প্রয়োজন। আর কিছু বলবো না, উনি যা করছেন আমি তার জয়ধ্বনি করি। খুব ভালো কাজ করছেন। তিনি এগিয়ে যান আমরা তাঁর পেছনে আছি। তাঁর সমর্থনে, তাঁর পাশাপাশিই আছি।
শুধু বলবো
বাংলার গর্ব মমতা।
Didi amader Devi Durga .Didier Kichu have na . Devi k pronam .
Satti bolechen. Onar sustota kamona kori
Long live didi, you are great
She is unparallel,dynamic, uncomparable, hardworkiňg, down-to-earth personality. We can not think of her absence from governence of this State. I am personally worried of her health at this vritical pandemic situation. God’s choicest blessing be showered on her always so as to save the people of this State.
আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মহাশয়া একজন বীরাঙ্গণা নারী বললেও খুব কম বলা হয় । আমি একজন অশীতিপর বর্ষীয় প্রাক্তন সৈনিক ও রিটায়ার্ড কেন্দ্রীয় ইন্টেলিজেন্স আধিকারিক । উনার সাথে আমার প্রথম সাক্ষাৎ হয় 1990 তে । উনি একজন অসম্ভব সৎসাহসী, অতুলনীয়া, পরিশ্রমী, হিতাকাঙ্খী, মানবদরদী এবং একজন অত্যন্ত দক্ষ প্রশাসক ও বিশেষ জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব । এই রাজ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নতিতে উনার ব্যক্তিগত অবদান অনস্বিকার্য । বর্তমান জাগতিক পরিস্থিতিতে উনার শারীরিক সুরক্ষা ও সুস্থতা একান্ত কাম্য । ঈশ্বর উনার মঙ্গল করুন ।
সাহিত্যিক শ্রী শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের লেখার সাথে সম্পুর্ণ একমত ॥
Sisir Babu ja bolechhen Ami mane prane samarthan Kori,Amar khub Didir janya khub chinta hay,unar health nie , nijer janya ektu o vabena uni sustha thakle to amra mane Bangla valo thakbe.
Tarun Babu thik bolechhen, Didi amader Debi Durga , unar kichchhu habena.
খুব ভালো লাগলো, আমরা অনুপ্রাণিত হলাম ।আশা করি মাননীয়া দিদি আমাদের সবার ভালো র জন্য সাবধানে থাকবেন । বাংলার পাশে আছি এবং থাকবো ।
ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না কি বলে ডাকব তাকে খুব ইচ্ছে করে জোরে চিত্কার করে বলি মা গো তুমি যে এই অভাগাদের ভাগ্য তুমি তো মোদের শক্তি, ভরসা ছায়া, আমাদের বেচেথাকার এক মাত্র অবলম্বন তাইতো মাগো তুমি সুস্থ সবল না থাকলে আমরা কার ছায়ায় থাকব মা গো সকাল সন্ধ্যা রাত্রি তোমার মুখ দেখে বাঁচার শক্তি পাই
দিদি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ,দিদি আমাদের গর্ব ,আমাদের জননেত্রী,