করোনা সংক্রমণ নিয়ে সচেতনতা যখন দরকার ছিল তখন মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকার ফেলে সরকার গড়ার ঘোড়া কেনাবেচায় ব্যস্ত ছিল বিজেপি। করোনা মোকাবিলায় ল্যাজেগোবরে দশা শিবরাজ সিং চৌহানের। তথ্য গোপনেও লাভ হচ্ছে না। হু হু করে বাড়ছে সংক্রমিত ও মৃতের সংখ্যা। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য বলছে, ৪০৪৬ জন আক্রান্ত, তার মধ্যে করোনা পজিটিভ ২১১১ জন। মৃতের সংখ্যাও ২২৬ ছাড়িয়েছে। বিজেপি নেতারা বা ধনখড়, তথাগতদের মতো পদ্মপালরা শিবরাজকে নিয়ে একটা শব্দ খরচ করেন না! বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিযোগিতা চলছে!

বিজেপি বাবুরা অনেক ফেক নিউজ বাংলাকে বদনাম করতে ছড়ান। আর বিজেপির রাজ্যে আসলি ছবি দেখে যেন চোখে ঠুলি পরে বসে থাকা! মধ্যপ্রদেশে লকডাউন নিয়ম ভাঙার ছবি আবার সামনে এলো। সাগর জেলার বান্দায় জৈন সাধু প্রমাণসাগরকে স্বাগত জানাতে এভাবেই ভক্তরা জড়ো হয়েছিলেন, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং শিকেয়। লকডাউন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কী করছিল? সাগরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পরে জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজেপি বাবুদের জন্য আরও ঘটনা অপেক্ষা করছে। যা লজ্জার। মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে মধ্যপ্রদেশের সাতনার গ্রামে ফিরছিলেন পরিযায়ী শ্রমিক দম্পতি। পথেই সন্তান প্রসবে বাধ্য হন। সন্তান প্রসবের পর দু ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে আবার হাঁটা শুরু। সন্তান কোলে স্বামীর সঙ্গে হেঁটে আরও ১৫০ কিলোমিটার পথ পেরোন ওই মহিলা! তারপর বাসে করে তাঁদের উঁচেহারায় পৌঁছে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এতেই বোঝা যাচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের কী দুর্দশা মধ্যপ্রদেশে!
বিজেপি বাবুরা টুইট বা ভিডিও স্ক্রিনে কিছু বলুন! লজ্জা ঢাকবেন কীভাবে ভাবুন।