রাজ্য সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে মিথ্যা কথা রটাচ্ছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার ৩ এপ্রিল নবান্ন থেকে সেই সব ভুয়ো তথ্য খণ্ডন করে আসল তথ্য দিয়েছেন। তাই বিজেপি নেতারা ভুলভাল প্রচার করলে ওদের পাল্টা দিতে এই তথ্যগুলো ঠোঁটস্থ রাখুন। পিপিই বা মাস্ক কেন্দ্র থেকে আসেনি। তার আগেই বরাত দিয়ে কিনছে, বানানো হচ্ছে।
রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ১১ লক্ষ পিপিই অর্ডার দিয়েছে, এসেছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০। সব হাসপাতালগুলিতে পাঠানো হয়েছে। বাকিটা আসবে পর্যায়ক্রমে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা নতুন অসুখ। তার চিকিৎসার জিনিস রেডিমেড তো পাওয়া যায় না। তাও আমরা কিনছি, পেলেই হাসপাতালে পাঠাচ্ছি। অনেক সময় হঠাৎ করে বাড়িতে অতিথি এলে ক্ষুদ দিয়েও খিচুড়ি করে অবস্থা সামাল দিতে হয়। এটা নেই, ওটা পেলাম না বলার আগে আসল অবস্থা ভাবুন।
এন-95 মাস্ক ৭ লাখের বরাত দেওয়া হয়েছে, ৬৫,৭৫০টি এসেছে। বাকিটা আসবে পর্যায়ক্রমে।
টু লেয়ার ও থ্রি লেয়ার মাস্ক এসেছে ৬ লাখের বেশি, তা পাঠানো হয়েছে হাসপাতালগুলিতে। টু লেয়ার মাস্ক এসেছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৫০ এবং থ্রি লেয়ার মাস্ক এসেছে ৩ লাখ ৫ হাজার। মোট ৭ লাখ মাস্ক এসেছে, আরও আসবে।
এ ছাড়াও ১ লক্ষ মাস্ক জোগাড় করে রাইস মিলের জন্য কৃষি দফতরকে ১০ হাজার ও পুলিশ-সহ অন্যান্যদের দেওয়া হয়েছে।
২৯ হাজার লিটার স্যানিটাইজার বরাত দেওয়া হয়েছিল, ২৫ হাজার ৭০০ লিটার ইতিমধ্যেই এসেছে।
২০ হাজার থার্মাল গানের বরাত দেওয়া হয়েছে, এসেছে ৫ হাজার।
আইটিসির দেওয়া ৫০ হাজার সাবান হাসপালগুলিতে দেওয়া হয়েছে।
৩৫ লক্ষ ১০ হাজার ২০০ সামাজিক পেনশন ইতিমধ্যেই সব অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। দু মাসের মোট ২ হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়া হয়েছে। এর বাইরেও জয় বাংলা, জয় জোহার পেনশন দেওয়া হচ্ছে।
অনেক রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পুরো বেতন দিতে পারেনি। এ রাজ্যে ৫০ হাজার কোটির দেনা শোধ করেও সকলের বেতন হয়েছে নির্দিষ্ট সময়ে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকেও বলা হয়েছে বেতন দেওয়ার জন্য।
করোনা চিকিৎসার জন্য রাজ্যজুড়ে ৫৯টি হাসপাতাল হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনায় কেউ মারা গেলে জীবাণু সংক্রমণ হয় না। তাই সৎকারে বাধা দেবেন না। ভয়ের কিছু নেই।