| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস — ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই : নিকোলাস বিশ্বাস নিকোলাসের ছবি বাস্তবকে তুলে ধরে কবিতার মতো : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বঙ্গবাণী-র রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ই জীবনানন্দের আবিষ্কর্তা : অসিত দাস দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ : দিলীপ মজুমদার প্রতিদিনের রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অথ তসলিমা কথা…. : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বেগম রোকেয়ার সমাধি আবিষ্কার যেন প্রেমেন্দ্র মিত্র-র তেলেনাপোতা আবিষ্কার : অসিত দাস মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার রোহিঙ্গা সংকটে কোন নির্দেশনা নেই : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দ্বিখণ্ডিত নির্বাসন : অশোক মজুমদার শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে আর্থার কোনান ডয়্যালের সাক্ষাৎকার ও প্ল্যানচেট-আলোচনা : অসিত দাস শ্রাবণের ঝিরঝিরে হাওয়ায় কাঁচের চুড়ির রিমিঝিম : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতা ফিরিয়ে দিক তসলিমার দ্বিখন্ডিত বাসার একখণ্ড : অশোক মজুমদার তরুণের বিদ্রোহ : তখন এবং এখন : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘বনলতা সেন ও অভিমানের অন্ধকার’ শিক্ষা ও সমাজ-সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তসলিমা নাসরিন — সবিনয় নিবেদন : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

‘জীবনকুচি’ পত্রিকার বিশেষ গ্রন্থাগার সংখ্যা : প্রসেনজিৎ দাস

Reporter
প্রসেনজিৎ দাস / ১১০৫ জন পড়েছেন
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর থেকে প্রকাশিত একটি মননশীল লিটল ম্যাগাজিন ‘জীবনকুচি’। ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। ম্যাগাজিনটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন অমৃতাভ দে ও শুভজিৎ দত্ত। পরবর্তীকালে অমৃতাভ দের সঙ্গে গালিব মণ্ডল পত্রিকা সম্পাদনার দায়িত্ব নেন। পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় নদিয়া জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগর থেকে। সাধারণ সংখ্যার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় বিশেষ সংখ্যাও প্রকাশ পেয়েছে। ‘একরাশ স্বপ্নিল প্রাণের আকাশ ছোঁয়ার ছাড়পত্র’ ‘জীবনকুচি’ সবসময় অন্বেষণ করেছে তরুণ কবি ও প্রাবন্ধিকদের। পাশাপাশি বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা কবি লেখকদের লেখা।’নদিয়া জেলার সাহিত্য ও সাহিত্যিক’, ‘শিল্পকলা’,’ ছড়া’, ‘রেডিও’ ইত্যাদি বিশেষ বিশেষ বিষয় নিয়ে সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে।হ্যাণ্ডমেড পেপারে প্রচ্ছদ ছাপা হয়েছে বেশির ভাগ সংখ্যায়। প্রচ্ছদে ব্যবহার করা হত লাতিন আমেরিকার কবি পাররার একটি কবিতার অনুবাদ ( অনুবাদক- মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ) —

“লেখো তোমাদের যা খুশী/

যে কায়দায় লিখতে ইচ্ছে করে তাতেই/ অনেক রক্ত বয়ে গেছে সেতুর তলা দিয়ে /

এই কথায় বিশ্ব করে /

যে কেবল একটা রাস্তাই ঠিক/

কবিতায় সবকিছুই চলে/

একটাই শুধু শর্ত, বলাই বাহুল্য/

শাদা পাতার চেয়েও উৎকৃষ্ট হতে হবে/

তোমাদের”

আসলে এই কবিতাটি ছিল ‘জীবন কুচি’ পত্রিকার মনের কথা। প্রথম বর্ষ প্রথম সংখ্যার নান্দীপাঠ-এ লেখা হয়েছিল —

“জীবনের প্রাত্যহিক টানাপোড়েনের মাঝেও জন্ম নেয় স্বপ্নাঙ্কুর। বাঁচার তাড়না তাকে চরম অপেক্ষায় মাড়িয়ে যেতে পারে না, বরং জারিত করে অনুর্বর পথের আবেশ সব মানুষকেই স্বপ্ন দেখায় উর্বর প্রতিবেশের। তাই পৃথিবীর সমস্ত জঘন্যতাকে নগ্ন করে এগিয়ে আসে অমোঘ সৃষ্টি।

এক ফালি সাদা পাতাকে সঙ্গী করে কয়েকটা স্বপ্নিল প্রাণ জাগিয়ে তুলুক এক পৃথিবী মানুষকে।তাদের পড়তে পড়তে নিভে আসা এক পৃথিবী ভাবনাকে।এসবের সম্মেলনে আগুন হোক বর্ণমালা, ঝলসে উঠুক জীবনকুচি।প্রসঙ্গত জানাই এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যা ছিল একটা ফোল্ডার। দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে রূপে- আঙ্গিকে পাল্টে যেতে লাগল।শিল্পী আশিস চৌধুরীর প্রচ্ছদ ও অসম্পূর্ণ অলঙ্করণে দ্বিতীয় সংখ্যা একেবারেই অন্য মাত্রা পেয়ে যায়। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ,পুস্তক পর্যালোচনা,মুক্তগদ্যে সেজে উঠতে থাকে পত্রিকা। পরবর্তীকালে পত্রিকার অবয়ব বেড়েছে। ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ পেয়ে চলেছে এই পত্রিকা। শুরুর দিকে ত্রৈমাসিক পত্রিকা হিসাবে প্রকাশ পেলেও পরবর্তী সময়ে বার্ষিক পত্রিকা হিসাবেই প্রকাশ পেতে থাকে। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘জীবনকুচি’ র “গ্রন্থাগার সংখ্যা”।

—তথ্যসূত্র

অমৃতাভ দে, সম্পাদক,”জীবনকুচি’।

‘জীবনকুচি’-র ২১ বছরে বিংশতিতম সংখ্যার মূল বিষয়ভাবনা ‘গ্রন্থাগার’। আজকের যুগ বিশ্বায়নের যুগ। এই বিশ্বায়নের যুগে মিডিয়া বা মাধ্যম একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। মিডিয়া সাধারণত দুই প্রকার। যথা — Electronic Media বা বৈদ্যুতিন মাধ্যম ও Print Media বা মুদ্রণ মাধ্যম। সংবাদপত্র, সাময়িকপত্র, বইপত্র, বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন সহ বিভিন্ন ছাপা জিনিসই মুদ্রণ মাধ্যমের মধ্যে পড়ে। আর ইলেকট্রনিক মিডিয়া হল ইন্টারনেট, ই-মেল, দূরদর্শন, কম্পিউটার ইত্যাদি।

একসময় বই-ই ছিল পড়ার অন্যতম মাধ্যম। আমরা যখন ক্লাস নাইন বা টেনে পড়ি তখন বাজারে রেফারেন্স বই এর খুব বেশি আনাগোনা দেখা যায়নি। বাংলার অমল পালের সহজ-সরল লেখা, অপরদিকে চক্রবর্তী চক্রবর্তী রচিত দাঁতভাঙা ভাষার বাংলা রেফারেন্স ছাড়া কিছু ছিল বলে আমার মনে পড়ে না। আর ইতিহাসের জীবন মুখোপাধ্যায়, ভূগোলের বসু মল্লিক, মাইতির জীবনবিজ্ঞান আর ভূঁইয়া ধরের ভৌতবিজ্ঞানের টেক্সট্ ছাড়া আমরা আর কিছুই পড়িনি। ওগুলোই আমাদের টেক্সট আর ওগুলোই রেফারেন্স। টেক্সট আর রেফারেন্সের তফারেন্স আমরা বুঝতাম না। কোনো কোনো বই অবশ্য লাইব্রেরীতে গেলে পাওয়া যেত। কিন্তু তখনও লাইব্রেরীর সদস্য হতে পারিনি, তাই বই নিয়ে যেতে পারতাম না। শুধু পড়ার সৌভাগ্যটা হত মাঝে মাঝে। আমাদের বেতাইতে ‘সুকান্ত স্মৃতি গণ পাঠাগার’ টিমটিম করে চলত।তবুও আমরা যেতাম বই পড়ার লোভে। ফাইনাল পরীক্ষা যেদিনই শেষ হত সেদিনই বাবার বকাবকিতে পড়ায় বের হতে হত নতুন ক্লাসের পুরোনো বই কার কাছে আছে তা খুঁজতে। এক-দুদিন যে রেস্ট নেব, তার উপায় ছিল না।সুতরাং বই খুঁজে নিয়ে এসে সেদিন থেকেই আবারও সেই একঘেঁয়ে পড়তে বসা! তারপর নতুন ক্লাসে উঠে বুকলিস্ট পেলে মিলিয়ে যেটা যেটা মিলত সেটা নিয়ে এক তৃতীয়াংশ দাম চুকিয়ে পুরোনো না মেলা বইগুলো ফেরত দিয়ে আসতাম।কোনো নতুন বই কিনতে হলে শুরু হত বাবার কাছে ঘ্যানঘ্যানানি। বাবা নতুন বইগুলো কবে কিনে দেবেন — তা আমার জানার অগোচর ছিল।

খুব শখ ছিল নবম-দশমে উঠে K.C.Nag (keshob chandra Nag) এর একটা ‘কোর গণিত’ কিনব। কিন্তু কিনতে পারিনি। তাই ধার করে,চেয়ে চিন্তে বইটা মাঝে মাঝে নিয়ে আসতাম এক বন্ধুর কাছ থেকে। বইটা হাতে পেলেই অদ্ভূত এক অনুভূতি হত। যেটুকু পারতাম একদিনের মধ্যেই প্র্যাকটিস করে খাতায় টুকে নিতাম। কারণ পরের দিন তাকে বইটা ফেরত দিতে হত। যেটুকু পড়েছি সেই বই থেকে, না সে আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। আজ আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহে ‘কোর গণিত’ বইটি আছে। যখনই বইটা চোখে পড়ে নস্টালজিক হয়ে পড়ি পুরোনো দিনের কথা ভেবে।

কথায় বলে “Good books are the Store house of Knowledge and wisdom, অর্থাৎ ভালো এই হচ্ছে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার ভাণ্ডার। তাই বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। মনে রাখুন একটি ভালো বই একশত বন্ধুর সমান। বই পড়লে জ্ঞানের পরিধি বাড়ে, মন উদার হয়, সকল সংকীর্ণতার অবসান ঘটে। কিন্তু আজকের যন্ত্র যুগে মানুষের বই পড়ার অভ্যাস কমছে। নতুন বই এর সুগন্ধে মাতোয়ারা হয়ে যেতাম আমরা। মনে পড়ে প্রথম শ্রেণীর ‘কিশলয়’ বই-এর একটি ছড়া —

“বছর বছর কি মজা ভাই

নতুন নতুন বই খাতা পাই।”

বলাবাহুল্য এখনও নতুন কোনো বই কিনলে প্রথমেই তার সুঘ্রাণ নিই। কালি আর কাগজের সুগন্ধে মনটা এখনও ভরে ওঠে। বই যে কতবড়ো বন্ধু তা আমরা জানতাম ভালোভাবেই। বই এর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আর এখন বই এর বদলে নবীন পাঠক হাতে তুলে নিচ্ছে বই এর পিডিএফ। বই এর সঙ্গে তৈরি হচ্ছে দূরত্ব। তবে হ্যাঁ এমন কিছু দুষ্প্রাপ্য বই আছে যেগুলি হয়তো হাতে পাওয়া দুরূহ, সেগুলির ডিজিটাল কপি পড়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

নোটস কেন্দ্রিক শিক্ষা ছাত্রছাত্রীদের পুঁথিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলেছে। তাই বলি বই পড়ুন এবং অন্যকে বই পড়ার সুযোগ করে দিন। আমার বই কেনার শখ ষোলো আনা। ধরুন কারো বাড়িতে গেলাম, আলমারিতে বই সাজানো থাকলেই আমার ভীষণ দেখতে ইচ্ছে করে এর মধ্যে আমার সংগ্রহে কোন কোনটি নেই। চেষ্টা করি সেটা সংগ্রহ করার।কিন্তু একসময় পয়সার অভাবে সব বই সংগ্রহ করতে পারতাম না। সেটা আগেই বলেছি। তাই গ্রন্থাগারই ছিল আমাদের একমাত্র ভরসা। সে কলেজ লাইব্রেরীই হোক আর ভিলেজ লাইব্রেরীই হোক। তবুও লাইব্রেরীতে সেরকম সংগ্রহ ছিল না। যেটা চাইছি সেটা পাওয়া যেত না।

একবার আমাদের গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক দেবব্রত চক্রবর্তী (আমার শিক্ষকও বটে) বললেন এবারের অর্থবর্ষে বই কেনার জন্য আমাদের লাইব্রেরী বেশ কিছু টাকা পেয়েছে।তোদের পছন্দমতো কিছু বই এর তালিকা তোরা তৈরি কর,যেগুলো সকলের উপকারে লাগবে। ২০০৬-০৭ র ঘটনা। যাইহোক ব্যক্তিগত পছন্দমতো খান ২০ বই এর তালিকা আমি তৈরি করেছিলাম।সে সব বই কেনাও হয়েছিল।তখন মানুষ গ্রন্থাগারমুখী ছিল। কারণ বই পড়ার একটা তাগিদ ছিল মানুষের মধ্যে। কিন্তু মানুষ ধীরে ধীরে বই পড়ার অভ্যাস হারাচ্ছে। তাই এখনকার শতকরা ৯০-৯৫ ভাগ মানুষ গ্রন্থাগারমুখী নয়। তবুও এমন কিছু মানুষ আছেন যারা ধুলো ঝেড়ে পুরোনো বই পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেননি। উপরিউক্ত প্রথম শ্রেণির মানুষদের জন্যই আজকালকার গ্রামীণ গ্রন্থাগারগুলির বেহাল দশা চোখে পড়ছে। তবে সবচেয়ে বড়ো কথা গ্রন্থাগারিকের অভাবে গ্রন্থাগারগুলো রীতিমত ধুঁকছে।

আজকের মানুষ হাতের মুঠোয় পৃথিবীটাকে পুরে নিয়েছে। নিয়েছে স্মার্টফোন আর কম্পিউটারে পৃথিবীকে পুরে। কী বই চায়? শুধু গুগুলে টাইপ করো আর পেয়ে যাও পিডিএফ। শুয়ে শুয়েই পড়া হয়ে যায় আস্ত একটা বই। তবে আর লাইব্রেরী কেন? ঠিক এমতাবস্থায় এহেন গ্রন্থাগার সংখ্যা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। সম্পাদক নান্দীপাঠে লিখছেন —

“অবশেষে ‘জীবনকুচি’র গ্রন্থাগার সংখ্যা প্রকাশিত হল। একুশ বছরের যাত্রাপথে ‘জীবনকুচি’ পাঠকের সমাদর পেয়েছে। কুড়ি বছর পূর্তিতে আমরা প্রকাশ করেছিলাম বিশেষ কবিতা সংখ্যা। যে সময়ে গ্রন্থাগার সংখ্যাটি প্রকাশ পাবার কথা ছিল সেই সময় থেকে বেশ অনেকটা পরেই আমরা পত্রিকা প্রকাশ করতে পারলাম। আসলে অতিমারি আমাদের অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে। আমাদের মনে হয়েছিল,গ্রন্থাগার নিয়ে আমাদের ভাববার সময় এসেছে।ছাত্রছাত্রীরাও এখন গ্রন্থাগারমুখী নয় — একথাটা মেনে নিতেও বোধ হয় খুব একটা অসুবিধা নেই। একটি গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতা করি। স্কুলে গ্রন্থাগার গড়ে তোলবার চেষ্টা অনেকদিন ধরেই করে চলেছি। ছোটবেলায় যে স্কুলে পড়তাম, গ্রামের সেই স্কুলে অসাধারণ একটি গ্রন্থাগার ছিল, ছিলেন গ্রন্থাগারিক। আজও অনেক স্কুলে গ্রন্থাগার আছে। গ্রন্থাগারিকও আছেন, ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ কমেছে। পাশাপাশি অনেক বিদ্যালয়ে গ্রন্থাগার থাকলেও গ্রন্থাগারিক নেই অথবা গ্রন্থাগারের গুরুত্ব কতখানি সেটা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝেও হয়তো বোঝেন না। বিভিন্ন সূত্রে যেটুকু জেনেছি তাতে পশ্চিমবঙ্গের সরকার — পোষিত গ্রন্থাগারগুলিতে বই আছে অনেক; পরিকাঠামো আগের থেকে উন্নত কিন্তু কর্মীসংখ্যা খুবই কম। তাছাড়া আজকের স্মার্ট ফোনের যুগে একটা বোতাম টিপলেই যেখানে সমস্ত তথ্য পাওয়া যায়,পাওয়া যায় বিভিন্ন বই — এর ডিজিটালাইজড রূপ,তাতে অনেকেই গ্রন্থাগারে গিয়ে সময় নষ্ট করতে চান না। অথচ গ্রন্থাগারকে নিয়ে কত আবেগ আমাদের মনের ভিতর। বিভিন্ন লেখায় উঠে এলো গ্রন্থাগার নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা; উঠে এলো গ্রন্থাগার আন্দোলনের ইতিহাস। লেখকদেরকে জানাই আমাদের শ্রদ্ধা। গ্রন্থাগার তার পুরনো ছন্দ ফিরে পাক — এই প্রত্যাশা আমাদের। বর্তমান এবং আগামী প্রজন্মকে গ্রন্থাগার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা আমরা দিতে চেয়েছি।”

নান্দীপাঠ থেকেই এই বিশেষ সংখ্যাটি প্রকাশ করার আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমরা অবহিত হলাম। এবার আসি মূল আলোচনায়। গ্রন্থাগার সংখ্যাটির প্রকাশক ডা.সুবীর কুমার দে, আর প্রচ্ছদ এঁকেছেন মৌমিতা পাল। সূচিপত্রটি সেজেছে সম্পূর্ণটাই বিভিন্ন প্রবন্ধে। দেবদাস আচার্য, বিদ্যুৎ হালদার, অসিতাভ দাশ, অভিজিৎ কুমার ভৌমিক, সুনীল পাল, কৌশিক চট্টোপাধ্যায়, তরুণ মুখোপাধ্যায়, বহ্নিশিখা ঘটক, সুশান্ত রাহা, অভীক মুখোপাধ্যায়, মোঃ আজিজুর রহমান-সহ বিভিন্ন প্রাবন্ধিক কলম ধরেছেন এই সংখ্যায়। প্রত্যেকের লেখায় উঠে এসেছে চিত্র-বিচিত্র ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও এমন কিছু তথ্য

যা পরবর্তী সাহিত্যিক গবেষকদের বিশেষ কাজে দেবে।

প্রথমেই কলম ধরেছেন নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরের ‘ভাইরাস’ পত্রিকার সম্পাদক তথা স্বনামধন্য কবি ও প্রাবন্ধিক দেবদাস আচার্য। ‘খোলা চোখ; বন্দি চোখ’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক তুলে ধরেছেন তাঁর যৌবন কালের বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। তাদের শৈশব থেকে যৌবন কেটেছে খেলাধূলা ও বই পড়ে। সেই সময়কার কথা বলতে গিয়ে প্রাবন্ধিক লিখছেন—

“মনের স্বাস্থ্য এবং শরীরের স্বাস্থ্য উভয়েরই বেশ পরিচর্যা হত।” মন হয়ে উঠত অনেক স্বাধীন খোলামেলা। মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপাদান ছিল লাইব্রেরী তথা বই। আর শরীরের স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় ছিল খেলাধূলা। অর্থাৎ মানুষ ছিল গ্রন্থাগারমুখী ও মাঠমুখী। কিন্তু সময় বদলেছে, মানুষ গ্রন্থাগারমুখীও নয় আবার মাঠমুখীও নয়। দৃশ্য বদলেছে। এই বৈপরীত্যই প্রবন্ধটির বিষয়। সেইসঙ্গে মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কার ও তার ব্যবহার মানুষের সমাজজীবন; মানসিকতা, রুচি, শিক্ষা এমনকি সাহিত্য ও কাব্য জগতের রূপান্তর ঘটলো। কবিতা থেকে এল গদ্য। কবিতা পেল মুক্তি। মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কার প্রসঙ্গে ফোর্টে উইলিয়াম কলেজ; কেরী সাহেব, পঞ্চানন কর্মকার, রামরাম বসু প্রমুখ মানুষের কথা প্রাবন্ধিক উল্লেখ করে ছুঁয়ে গেছেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের আধুনিক যুগের প্রারম্ভ পর্যায়টিকে। কারণ বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হয়েছে যখন বই ছাপা হল তখন থেকেই। তার আগে অবশ্য পড়তে হত ‘কান’ দিয়ে। কারণ তখন ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থা ছিল শ্রুতি ও স্মৃতি নির্ভর। সেখান থেকে অনেকটা পথ অতিক্রম করে এল বই, গ্রন্থাগার। কিন্তু মানুষ যদি বই পড়ার অভ্যেস হারায় তবে বইপ্রেমীদের কষ্ট লাগে বই কি! গদ্য প্রবন্ধ পড়ার পাঠক কম থাকলেও “ভরসা এই যে, এখনও শতকরা দশজন পাঠক ও অনুসন্ধিৎসু পাঠক আছেন তার এক ভাগও আশাকরি কবিতার পাঠক থাকবেন। “অর্থাৎ বই, লাইব্রেরী

এগুলোর প্রয়োজন কোনোকালেই ফুরিয়ে যাবে না। সুতরাং আজকের দিনে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব শূন্য, নিঃস্ব একথা বলার সময় এখনও আসেনি।

প্রাবন্ধিক বিদ্যুৎ হালদারের ‘গ্রন্থাগার এবং আমার বই পড়া ‘প্রবন্ধে গ্রন্থাগার সম্পর্কে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা দানা বেঁধে উঠেছে। কৃষ্ণনগরের ‘নদিয়া জেলা গ্রন্থাগার’-এ যাতায়াত, গ্রন্থাগার প্রেমী বেশ কিছু মানুষের সংস্পর্শ লাভ করেছিলেন প্রাবন্ধিক। সেকথাই তিনি ব্যক্ত করেছেন অকপট ভাবে। তাছাড়া বিভিন্ন কর্মরত ও অবসর প্রাপ্ত গ্রন্থাগারিকরা এ সংখ্যায় কলম ধরেছেন। তাঁদের বিচিত্র সব কর্মকান্ড, গ্রন্থাগারিক হিসাবে তাদের সাফল্য — ব্যর্থতার কথা, গ্রন্থাগার আন্দোলন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা আছে এই সংখ্যায়। আছে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আর বৃহত্তম গ্রন্থাগার ‘বিবলিওথেকা আলেকজান্দ্রিয়া’ বা আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরির কথাও। এটি মিশরের রাজধানী কায়রোর কাছাকাছি মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেকজান্দ্রিয়াতে অবস্থিত। ইজিপসিয়ান আরবিতে এই লাইব্রেরির নাম ‘মক্তবৎ আল ইস্কান্দারিয়া’ সংক্ষিপ্ত ‘বিও’। বন্যাধারা রায় এর কলমে উঠে এসেছে এই গ্রন্থাগারের খুঁটিনাটি ইতিহাস। মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়তে পড়তে যেন হারিয়ে যাচ্ছিলাম ইতিহাসের ভাব গভীরতায়।

যে বিষয়টা দৃষ্টি এড়াই না, তা হল ‘গ্রন্থাগার আন্দোলনে নদীয়া’। গ্রন্থাগারকে নিয়ে আন্দোলন কেন- এ প্রশ্নটা অনেকের মনেই আসতে পারে। তার উত্তর প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, গবেষক ও প্রাক্তন গ্রন্থাগারিক সঞ্জিত দত্ত নিজেই দিয়েছেন —‘গ্রন্থাগার আন্দোলন’ শব্দটা শুনলেই বহু মানুষ ধরে নেন কর্মীদের পেশাগত দাবিদাওয়ার লড়াই আন্দোলন। বাস্তবে তা নয়। কর্মী আন্দোলনের সীমাবদ্ধতার বিপরীতে গ্রন্থাগারকর্মীরা একটি অংশ বিশেষ অবশ্যই। আন্দোলন অর্থে যদি কোন বিষয়কে দোলা দিয়ে বা আন্দোলিত করে কোন স্থবিরতা থেকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে ‘গ্রন্থাগার’ নামের প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতি বোঝায়। গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সলতে পাকানো পর্ব থেকে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা, তার শ্রীবৃদ্ধি, পরিকাঠামো ও পরিষেবার মানোন্নয়ন, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন, গবেষকদের গবেষণার কাজে সহায়তা করা, ছাত্রছাত্রী ও চাকুরি প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ পথের দিশা প্রদর্শন সব কিছুকে নিয়েই গ্রন্থাগার আন্দোলন। ঊনবিংশ শতাব্দীর স্বদেশী ও বিদেশী শিক্ষানুরাগী বিদ্বজ্জনেদের সম্মিলিত প্রয়াসে সাধারন গ্রন্থাগার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। বিভিন্ন জায়গায় গ্রন্থাগার গড়ে উঠতে থাকে। বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধে নদীয়া জেলার বহু জায়গায় গ্রামীণ গ্রন্থাগার গড়ে উঠতে থাকে। এর মূল কারণ ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনকে জোরদার করে তোলা। কারণ এগুলি ছিল যোগাযোগকেন্দ্র ও নানা সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যম। ১৯১৯ সালের ১৩ ই এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডের পর এক মাসের মধ্যে বিপ্লবী যুবকরা গড়ে তোলেন চাকদহে ‘বসন্ত মেমোরিয়াল লাইব্রেরি’।”

—’জীবনকুচি’ পত্রিকার গ্রন্থাগার সংখ্যা,’নদীয়া জেলার গ্রন্থাগার আন্দোলন একটি সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত’, সঞ্জিত দত্ত।

সবার অলক্ষ্যে এই গ্রন্থাগার আন্দোলনের ধারা অব্যাহত থেকেছে। নদীয়া জেলার অনেক গ্রন্থাগার বর্তমানে প্রায় অবলুপ্ত কর্মীর অভাবে। এগুলো টিকিয়ে রাখার জন্যই এই আন্দোলন।ড. মোহ: আজিজুর রহমান (এডিশনাল লাইব্রেরিয়ান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল-২২২৪; ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ) এর কলমে উঠে এসেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা, গ্রন্থাগার আন্দোলন, ইত্যাদি নিয়ে সুচারু বিচার বিশ্লেষণ। ১৮৫৪ সালে বাংলাদেশের প্রাচীনতম চারটি গ্রন্থাগার স্থাপনের মধ্য দিয়ে গ্রন্থাগার উন্নয়ন শুরু হয়। উডবার্ণ পাবলিক লাইব্রেরি, বগুড়া; যশোর পাবলিক লাইব্রেরি, যশোর; বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি, বরিশাল এবং রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি, রংপুর।তাছাড়া ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ভিত্তি স্থাপন করা হয়। সে নিয়েও আলোচনা আছে এই প্রবন্ধে।

বাংলাদেশে চার ধরনের গ্রন্থাগারের অস্তিত্ব অনুধাবন করা যায়। যথা — গণগ্রন্থাগার, জাতীয় গ্রন্থাগার, একাডেমিক গ্রন্থাগার এবং বিশেষায়িত গ্রন্থাগার।এগুলির বর্তমান অবস্থা বর্তমান প্রেক্ষিতে তাদের অবস্থান নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।

একটি আর প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা শেষ করব — জীবনকুচির সম্পাদক অমৃতাভ দে’র ‘লাইব্রেরি চলমান জীবনপথে সঞ্চয়ের শস্যক্ষেত্র’ প্রবন্ধটি নিয়ে। ছোটবেলা থেকে কীভাবে বই তাঁর সঙ্গী ছিল, কীভাবে লাইব্রেরি তাঁর জীবনের অনেকটা অংশ দখল করে নিয়েছিল তা জানতে পারব স্বল্প দৈর্ঘ্যের এই প্রবন্ধটি পড়ে। প্রাবন্ধিকের বাবা গ্রন্থাগারিক হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন বড় আন্দুলিয়ার লোকসেবা শিবিরের শ্রীরামকৃষ্ণ পাঠাগারে। তাই বেশিরভাগ সন্ধেটা তাঁর এই গ্রন্থাগারেই কাটত।

তাছাড়া ‘নদিয়া জেলা গ্রন্থাগারে’ তাঁর বাবার বদলির সুবাদে সেখানে যাওয়ারও সুযোগ ঘটেছিল। সবমিলিয়ে এই সংখ্যাটা পাঠ করলে গ্রন্থাগার যে কী তা সহজেই অনুমান করতে পারবেন সকলে। প্রমথ চৌধুরীর একটি উদ্ধৃতি, প্রাবন্ধিক তুলে এনেছেন তাঁর প্রবন্ধে —

“লাইব্রেরি হাসপাতালের চাইতে কম উপকারী নয়; তার কারণ আমাদের শিক্ষায় বর্তমান অবস্থায় লাইব্রেরি হচ্ছে একরকম মনের হাসপাতাল।”

জীবনকুচি

বিশেষ গ্রন্থাগার সংখ্যা

(বিংশতিতম সংখ্যা ডিসেম্বর ২০২২)

সম্পাদক : অমৃতাভ দে গালিব মণ্ডল

প্রকাশস্থান : কৃষ্ণনগর নদিয়া

যোগাযোগ : ৮৬৪০০৪৮১৪২

আপনার মতামত লিখুন :

5 responses to “‘জীবনকুচি’ পত্রিকার বিশেষ গ্রন্থাগার সংখ্যা : প্রসেনজিৎ দাস”

  1. Prosenjit Das says:

    আমার লেখাটা প্রকাশিত হওয়ায় আমি পেজ ফোর এর কাছে কৃতজ্ঞ।বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই কবি,প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক অমৃতাভ দে কে।

  2. দীপাঞ্জন দে says:

    একটি সংগ্রহযোগ্য সংখ্যা। খুব ভালো লাগলো।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন


Currently Maintained by the2.dev