করোনা প্রভাব পড়ল রাজ্যের পুরভোটেও। সোমবার ১৬ মার্চ ১০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস কমিশনের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি সুব্রত বক্সী ও তাপস রায় জানিয়ে দেন, করোনার জেরে এখন ভোট পিছিয়ে দেওয়া হোক, তেমনটাই চায় তৃণমূল কংগ্রেস। একই কারণে ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় আপত্তি করেনি অন্য দলগুলো। স্বাভাবিকভাবেই এদিনের বৈঠকে ভোট প্রস্তুতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। সৌরভবাবু পরে বলেন, ভোট করতে কমিশন প্রস্তুত ছিল। কিন্তু করোনা-সতর্কতায় সব রাজনৈতিক দল ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় সায় দিয়েছে। ১৫ দিন পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। সূত্রের খবর, রমজানের পর হবে পুর নির্বাচন। সেক্ষেত্রে জুনে সম্ভবত ভোট হবে। কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়াদ ৭ মে পর্যন্ত। ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় মেয়াদ শেষে কলকাতা কর্পোরেশনে প্রশাসক বসানো হবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে।