যে পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে তা সঠিক নয়। তবু রাজ্য সরকার ওই প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সহযোগিতা করছে। কিন্তু কতদিন তাঁরা রাজ্যে থাকবেন, কোথায় কবে যাবেন তা নবান্নকে জানানো হয়নি। মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল এ কথা জানিয়েছেন মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা। বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, জলপাইগুড়ি ও কলকাতায় যে প্রতিনিধিদল গিয়েছে তাদের রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন সহযোগিতা করছে না। আইএমসিটি এলাকা ঘুরতে পারছে না, কথা বলতে পারছে না স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে। কেন্দ্রীয় সরকারের ১৯ এপ্রিলের নির্দেশিকা মেনে পদক্ষেপ করতে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

যদিও ওই চিঠি আসেনি বলে জানিয়ে মুখ্য সচিব বলেন, চিঠি পেলে উত্তর দেওয়া হবে। সকালে কলকাতার প্রতিনিধিদলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল রাজ্য সরকার অসহযোগিতা করছে, কোথাও বেরোতে দেওয়া হয়নি। মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা বলেন, আমি সোমবার কলকাতার দলটির সঙ্গে বৈঠক করি। উত্তরবঙ্গের দলটির সঙ্গে কথা বলেছি ফোনে, ওখানে ওঁরা সব প্রোটোকল অগ্রাহ্য করে গিয়েছেন। কলকাতার দলটির সঙ্গে নবান্নে আজ কথা হবে বলে ঠিক ছিল। আমি একটি মিটিংয়ে থাকায় পরে গুরুসদয় রোডে বিএসএফ গেস্ট হাউসে গিয়ে দেখা করি।

ওঁরা কলকাতা পরিদর্শনে বেরোতে চান। আমরা বলি, সংক্রমণ এড়াতে পুরো সতর্কতা নিয়ে বেরোবেন। কনটেনমেন্ট জোনগুলি গাড়িতে বসে দেখাই ভালো। গাড়ি থেকে নামতে হলে এলাকার করোনা পরিস্থিতি যাচাই করে নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ওই দলের সঙ্গে রাজ্য সরকারের অফিসারকেও রাখা হয়েছে। আমরা ওঁদের আমন্ত্রণ করে আনিনি। পদ্ধতি ঠিক ছিল না। তবু সহযোগিতা করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা তাঁদের সফরের পরিকল্পনা আমাদের জানাননি।
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় রাজ্যকে পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সংঘাত কাম্য নয়। রাজীব সিনহা বলেন, আমরা সেটা বিশ্বাস করি। লকডাউনের সব নির্দেশিকা মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে একতরফা রাজ্যকে দোষ না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত শৃঙ্খলা মেনে কাজ করা।
