জলপাইগুড়ির মাল-এর পর এবার মালদহের চাঁচল। ফের এক অভাবি মেধাবির পাশে দাঁড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী। জলপাইগুড়ির ওই ছাত্র, স্কুলের ফার্স্ট বয় অয়ন সেনকে রাস্তায় বসে ডিম বিক্রি করতে দেখেই তাঁর অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা পাঠিয়ে বলেছিলেন, পড়াশোনা চালিয়ে যাও, যে কোনও দরকারে পাশে রয়েছি। এবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি মালদহে।

চাঁচলের সঞ্জয় রবিদাস বাবাকে হারান দেড় বছর বয়সে। দুই ছেলে সঞ্জয় ও সাগরকে মানুষ করতে মা কল্যাণী দিনমজুরের কাজ করতেন। ক্লাস সেভেনে উঠে মায়ের কষ্ট দেখে দাদা সাগরকে নিয়ে জুতো সেলাইয়ের কাজ শুরু করেন সঞ্জয়। ক্লাস টেন অবধি পড়ে দু বছরের বড়ো দাদা সাগর ভিনরাজ্যে কাজ করতে গেলে সঞ্জয় পড়াশোনার খরচ জোগাড় করেন বাজারে বসে জুতো সেলাই করেই। ৬৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে আর্টস নিয়ে ভর্তি হন। হরিশ্চন্দ্রপুরের কনুয়া হাইস্কুলে ক্লাস ইলেভেনের পরীক্ষায় ফার্স্ট হওয়ার পর টুয়েলভের টেস্টেও ফার্স্ট হন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সঞ্জয়ের ভূগোল পরীক্ষা বাকি। এর মধ্যে সমস্যা বাড়িয়েছে লকডাউন। সংসারে অনটন, তাই বাড়ির কাছে জাতীয় সড়কের ধারে জুতো সেলাইয়ের বাক্স নিয়ে বসতে হচ্ছে সঞ্জয়কে। খদ্দের কার্যত মিলছে না।

এ অবস্থার কথা জানতে পেরেই ফের এগিয়ে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সঞ্জয়ের অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা পাঠিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

শুধু সঞ্জয়ের পাশে থাকাই নয়। লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়া মালদহ জেলার প্রান্তিক মানুষদের জন্যও ফের এদিন খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এ জন্য শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মালদহ জেলায় তৃণমূলের সভানেত্রী তথা সাংসদ মৌসম বেনজির নূর জানিয়েছেন, শুভেন্দুবাবুর তরফে পাঠানো এই খাদ্যসামগ্রী বিভিন্ন মহকুমা, ব্লক ও পঞ্চায়েত এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। কয়েক হাজার পরিবার এতে উপকৃত হবে।


স্যার আমার একটু হেল্প করুন প্লিজ প্লিজ 8918792556