মার্চ মাসের প্রথম দিকে করোনা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হলেও দোলের আগে অবধি তেমনভাবে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়নি। কিন্তু মার্চের মাঝামাঝি থেকে যেভাবে তৎপরতার সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ শুরু হয় তা প্রশংসনীয় এবং এ কাজে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্ব, স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্থার নিরলস কর্মকাণ্ড ইতিহাসে নজির গড়বে।
সাধারণ মানুষের সুরক্ষার প্রতি নজর রেখে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রশাসন এগিয়ে চলেছেন তা কিছুটা স্বস্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করছে। এখন সময় নয় অপপ্রচার বা বিভক্তকরণের। এটা হাতে হাত মিলিয়ে চলার সময়। হাততালি দিয়ে বা মোমবাতি জ্বালিয়ে সাময়িক তুষ্টি হলেও হতে পারে, তবে করোনার সমাধান সম্ভব নয়। সমাধানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সঙ্গে তাঁর প্রশাসন যে অক্লান্ত প্রয়াস চালাচ্ছে তাতে পুরোপুরি সামিল হওয়া প্রয়োজন। তার জন্য বাড়িতে থেকেও কাজ করা সম্ভব।

নিজের চারপাশের মানুষকে সচেতন ও সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব আমাদের। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যেমন সবাই তাঁর নিজের লোক, ধর্ম, রাজনীতি বা অন্য সব ভেদাভেদ উপেক্ষা করে উনি কাজের যে নির্দেশ দিয়েছেন তাতে ভরসা করে প্রশাসন যেভাবে কাজ করছে তাতে মনোবল বেড়েছে লড়াই করার। যেভাবে যাঁরা সেরে উঠছেন বা সরকারি কোয়ারান্টিনে থাকছেন তাঁদের বয়ান শুনে বারবারই মনে হচ্ছে, করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের একাধিকবার কুর্নিশ করা দরকার। মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু সেই ভার নিয়েছেন। তাঁদের পাশে আছেন, সাধারণের পাশে আছেন। তাই তো কোথাও অন্যায় হলে, নির্যাতন হলে, কালোবাজারি হলে বড়ো মুখে বলতে পারি, কমপ্লেইন করবো। এবং বহু ক্ষেত্রে তাতে কাজও হয়েছে। তাই সংক্ষেপেই বলি মমতা মানে সচেতনতা, সুরক্ষা ও কিছুটা হলেও স্বস্তি।