প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও কনফারেন্সে চলাকালীন বেশ কিছু ন্যায়সঙ্গত দাবি জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার ৮ এপ্রিল ওই ভিডিও কনফারেন্সে নবান্ন থেকে যোগ দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দেন তাঁকে লেখা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে লেখা রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রর লেখা চিঠি। লকডাউনে রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের প্রাপ্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা এবং করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী যে ২৫ হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন তা পাঠানোর দাবি জানান সুদীপবাবু। এ ছাড়া মার্চ অবধি জিএসটি বাবদ রাজ্যের ভাগের টাকা দেওয়ার দাবি জানান তিনি। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা বেতন থেকে অর্থ দিতে রাজি। কিন্তু সাংসদ তহবিলের টাকা আটকানোর সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। ওই টাকা দিয়ে অনেক কাজ করা যাবে। ফলে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হোক। পরিযায়ী শ্রমিক ও দিনমজুরদের জন্য আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার দাবি জানিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অনেক শ্রমিক কাজ হারানোর আশঙ্কা করছেন। এ ব্যাপারে কেউ যাতে কর্মহীন হয়ে না পড়েন সেজন্য কোনও ঘোষণা করুন প্রধানমন্ত্রী।

অন্য রাজনৈতিক দলগুলিও বকেয়া টাকা পাঠানোর দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

ইতিমধ্যেই অনেক রাজ্য লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেছে অনেক রাজ্য সরকার। মন্ত্রিগোষ্ঠীও চাইছে লকডাউন চালাতে। চূড়ান্ত ঘোষণার আগে শনিবার ফের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স মারফত আলোচনা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, ধাপে ধাপে উঠতে পারে লকডাউন। কৃষি-সহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে কাজ চালু হতে পারে। স্কুল, কলেজ বন্ধ রাখার পক্ষে মত দিয়েছে মন্ত্রিগোষ্ঠী। ট্রেন, বাস ১৫ এপ্রিলের পর থেকেই চালু হওয়ার সম্ভাবনা কম। ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে বিমান চলাচল।