দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৭৫৯। তার মধ্যে করোনা পজিটিভ ১০৮২৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫১৪ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪২০। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। একদিনে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৮২৬ ও মৃতের সংখ্যা ২৮। সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত ও মারা গিয়েছেন মহারাষ্ট্রে। অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় বাংলায় পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো বলে মনে করছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক তথা গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি বোর্ড ফর কোভিড রেসপন্স-এর সদস্য ডা. সুকুমার মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার পিপিই, ২ লক্ষ ২৫ হাজার এন-৯৫ মাস্ক বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠিয়েছে। কিছু ফেস শিল্ড দরকার যাঁরা করোনা পজিটিভদের সংস্পর্শে কাজ করছেন তাঁদের জন্য।
সুকুমারবাবু বলেন, আইসিএমআর-এর গাইডলাইন অনুযায়ী রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা ও মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ চলছে। আইসিএমআর-এর নির্দেশিকা মেনেই হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন খেতে হবে ডোজ ঠিক রেখে, অকারণে তা খাওয়ার দরকার নেই, বিশেষ করে যাঁদের চোখ বা হার্টের সমস্যা আছে। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চললে প্রবীণদেরও এই ওষুধ খাওয়ার দরকার নেই। চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মীরা সঠিক ডোজ মেনে এই ওষুধ খাবেন। কোভিড আক্রান্তের সংস্পর্শে না এলে সাধারণ মানুষের তা খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
সংক্রমণ যেখানে বেশি কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের চারটি জেলা রেড জোনে আছে। কিছু আছে অরেঞ্জ জোনে। যেখানে টানা ২৮ দিন কেউ আক্রান্ত হননি সেটা গ্রিন জোন। এখানে আসতে সবাইকে লকডাউন মানতেই হবে। প্রশাসন সবরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে, কিছু খামতি থাকলে তা দূর করতে হবে। সরকার নমুনা পরীক্ষা বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। কিডনি বা হার্টের সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার জল পান করার পরামর্শও দেন ডা. সুকুমার মুখোপাধ্যায়।
Very satisfying news.
We should stay home and stay safe and keep COVID-18 away as far as by our one practice of social distancing,tracing test and treatment.