ইতিমধ্যেই ৬৮টি বাইক ট্যাক্সি চলছে। রাস্তায় নামবে আরও ১০ হাজার বাইক ট্যাক্সি। মঙ্গলবার ১৭ মার্চ বিধানসভায় এ কথা জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিধানসভায় পাশ হলো বেঙ্গল মোটর ভেহিকলস অ্যাক্ট ২০২০। শুভেন্দুবাবু বলেন, বহু যুবকের আবেদন পেয়েছিলাম। তাঁদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আইনে সংশোধনী আনার পক্ষে সায় দিয়ে বিল আনার সিদ্ধান্ত নেয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌরোহিত্যে রাজ্য মন্ত্রিসভা। তা আইনে পরিণত হলো। পরিবহণমন্ত্রী আরও জানান, বাইক ট্যাক্সি রাস্তায় নামলে যেমন সাধারণ মানুষের পরিবহণ খরচ অনেকটা কমবে, তেমনই অনেকের কর্মসংস্থান হবে। অ্যাপ নির্ভর অনেক সংস্থা ইতিমধ্যেই আগ্রহ দেখিয়েছে। বাইক ও বাইক ট্যাক্সির রেজিস্ট্রেশন ও পারমিট ফি সমান। নম্বর প্লেট বাইকে সাদা-কালো ও বাইক ট্যাক্সিতে হলুদ রঙের থাকবে। অনেক জায়গায় বড়ো গাড়ি ঢোকে না সেখানে বাইক ট্যাক্সি তাড়াতাড়ি পৌঁছে যাবে। রাতে ডাক্তার ডাকতে বা স্টেশন বা বিমানবন্দরে পৌঁছাতেও এগুলি কার্যকরী হবে। বাইকে গতি নিয়ন্ত্রক থাকে না। বাইক ট্যাক্সি প্রতি ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চালানো যাবে না। রাখতে হবে অতিরিক্ত হেলমেট, রেনকোট। পণ্য পরিবহণের কাজেও লাগানো যাবে বাইক ট্যাক্সিকে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য বা দুধ, জানা, ডিম নিয়ে যান তাঁদের সুবিধা হবে। পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রেজিস্ট্রেশন ও পারমিট ফি কমানো হচ্ছে অনেকটাই।

Very nice