লকডাউনের মেয়াদ বেড়েছে। সমস্যায় পড়েছেন মানুষ, বিশেষ করে গরিব, অসহায়, প্রান্তিক মানুষেরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ, কেউ যেন অভুক্ত না থাকে। তিনি বিনামূল্যে রেশন, এমনকী জিআর থেকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে জেলায় জেলায় খাদ্যসামগ্রী পাঠাচ্ছেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ২২ এপ্রিল নিজের প্রতিনিধি মারফত তিনি পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় চাল, ডাল, আলু, বিস্কুট, মুড়ি-সহ খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট পাঠালেন।

এই নিয়ে ঝাড়গ্রামে তিন দফায় খাদ্যসামগ্রী গেল, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় গেল দ্বিতীয়বার। যোগ্য লোকের কাছেই যাতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছায় ব্লকে ব্লকে খাদ্যসামগ্রী নামানোর সময় মন্ত্রীর সেই নির্দেশ তাঁর প্রতিনিধিরা জানিয়ে দিয়েছেন জেলার প্রতিনিধিদের কাছে। ঝাড়গ্রামে এদিন চার হাজার প্যাকেট পৌঁছানোয় তিন দফা মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী শুভেন্দু অধিকারী পাঠালেন ঝাড়গ্রামের প্রান্তিক মানুষদের জন্য, সঙ্গে পাঠালেন ১৯ হাজার মাস্ক। প্রথম দফায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তিনি সাড়ে সাত হাজার খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট পাঠিয়েছিলেন, এদিন দ্বিতীয় দফায় পাঠালেন আরও ৬ হাজার প্যাকেট। এই জেলায় ২৯ হাজার মাস্কও পাঠিয়েছেন শুভেন্দুবাবু। এর ফলে শুভেন্দুবাবুর পাঠানো খাদ্যসামগ্রী বুধবারই ১০ হাজার পরিবারের কাছে পৌঁছে গেল। একেকটি পরিবারের কথা ভেবে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী দিয়ে প্যাকেটগুলি তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মালদহ জেলাতেও কয়েক হাজার পরিবারের কাছে ফের খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছেন মন্ত্রী।
