করোনার জেরে লকডাউনে রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে যাঁরাই সমস্যায় পড়েছেন তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কোথাও পাঠিয়েছেন বিপুল খাদ্যসামগ্রী, কোথাও বাড়িয়ে দিয়েছেন আর্থিক সাহায্যের হাত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্টেট এমারজেন্সি রিলিফ ফান্ডে ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছেন। এই তহবিলে এখনও অবধি এই পরিমাণটাই সবচেয়ে বেশি। অন্নপূর্ণা পুজোর দিন শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে বাংলার ১ লক্ষ মানুষের জন্য বিপুল খাদ্যসামগ্রী নিয়ে জেলায় জেলায় ছুটেছে গাড়ি।
তবে এখানেই শেষ নয়। এই কঠিন সময়েও বরাবরের মতো শিল্পশহর হলদিয়ার শ্রমিক, কর্মচারীদের পাশে থেকে তাঁদের উদ্বেগের অবসান ঘটালেন মন্ত্রী তথা হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান শুভেন্দু অধিকারী। হলদিয়ার ছোটো, বড়ো কারখানা ও শিল্প সংস্থাগুলিকে শুভেন্দুবাবু নির্দেশ দিয়েছেন চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক, কর্মচারী-সহ সকলকে বেতন, মজুরি বা ভাতা যে যেটা প্রতি মাসে পান তা ৫ এপ্রিলের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে নির্দেশ পালন হলো কিনা তা ওই সময়ের মধ্যেই এইচডিএ-কে জানাতে হবে। এইচডিএ চেয়ারম্যানের এই নির্দেশ মেল মারফত বিভিন্ন শিল্প সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর পিএ শুভঙ্কর হালদার। এইচডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০টির মতো বড়ো কোম্পানির পাশাপাশি আরও বহু শিল্প সংস্থায় নথিবদ্ধ শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। লকডাউনে তাঁদের কথা চিন্তা করে শুভেন্দুবাবুর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তামুক্ত হয়েছেন এই বিপুল সংখ্যক স্থায়ী, অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারী ও তাঁদের পরিবার।