কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে তিনি চালু করেছিলেন ‘টক টু মেয়র’। করোনা পরিস্থিতিতে কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচন আটকে গিয়েছে। মেয়াদ ফুরনোয় ৭ তারিখের পর আর কলকাতার মেয়র থাকতে পারছেন না তিনি। কী পদক্ষেপ করবে রাজ্য সরকার তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ২ মে আপাতত শেষবারের মতো ‘টক টু মেয়র’ ব্যবস্থার মাধ্যমে অভাব, অভিযোগ শুনলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। জানালেন, কলকাতায় রেশন কার্ড নিয়ে অভিযোগ আগের মতো নেই। যেটুকু আজ জানানো হলো তার সমাধান করে দিয়েছি। যাঁদের রেশন কার্ড অনুমোদন হয়নি তাঁদের জিআরের চাল পাঠানো হচ্ছে। তবে অপরাধ বা বিশেষ করে সাইবার অপরাধের ফোন এদিন পেলাম। মানুষের হাতে টাকা নেই। তাই চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি বা অনলাইন জালিয়াতি বাড়ছে। উত্তরপ্রদেশে তো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা পিন হাতিয়ে সাইবার ক্রাইম একটা শিল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফিরহাদ হাকিম বলেন, অভাব, অভিযোগ সরাসরি জানাতে যে ‘টক টু মেয়র’-এর হেল্পলাইন চালু করি সেই ১৮০০ ৩৪৫ ১২১নম্বর রেখে দিতে চেষ্টা করছি ৭ তারিখের মধ্যে। আধিকারিকরা ভালো কাজ করেন বলেই মেয়র ও তাঁর টিমের কাজ করতে সুবিধা হয়। এই নম্বর থাকলে মানুষের সমস্যার কথা জেনে পরিষেবা দিতে সুবিধা হবে। করোনা মোকাবিলায় ফিরহাদ হাকিম বলেন, কলকাতার নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বেশি থাকলে এতোটা ছড়াত না। করোনাকে পরাস্ত করতে আরও সচেতন হতে হবে।
বস্তিতে একজন বহিরাগত এসে সমস্ত বস্তিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাইরের লোককে অনেক জায়গায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, এটাই সঠিক পদক্ষেপ। দল বেঁধে আত্মীয়র সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া বা অকারণে বাইক নিয়ে না বেরোলে করোনাকে হারানো যাবে। পুকুর পরিষ্কারের বা গাছ, জঙ্গল কাটার লোক এখন পাওয়া না গেলেও স্প্রে বা জঞ্জাল অপসারণ যাতে ঠিকভাবে চলে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন মেয়র। বলেন, সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড যেমন জীবাণুমুক্ত করবে এলাকাকে, তেমন মশা, মাছি মারবে।