চাল, ডাল, তেল, নুন সবই পাওয়া গেল একদম বিনা পয়সায়। এলাকার দুস্থ পরিবারগুলির জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল রাজবাড়ীর গেট। একে একে অনেকেই এসে বিনা পয়সায় সংগ্রহ করেন খাদ্য দ্রব্য সামগ্রী। মন্দির সূত্রে খবর এলাকার প্রায় ১০০টি পরিবারের জন্য বিনা পয়সায় খাদ্যদ্রব্য সামগ্রী প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

ইতি মধ্যেই লকডাউন চলাকালীন দুঃস্থ পরিবারদের খাদ্য দ্রব্য বিতরণ করা হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। এছাড়াও মন্দিরের পুরহিত এবং মন্দিরের অনুমোদন প্রাপ্ত ব্যবসায়ীদের নগদ হাজার টাকা করে প্রদান করেছেন দন্ডীস্বামী সুরেশ্বর আশ্রম মোহন্ত মহারাজ। আগামী দিনে মন্দিরের কাছাকাছি গ্রামের দুঃস্থ পরিবারগুলিকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানান মন্দিরের মোহন্ত মহারাজ। নববর্ষে একশো জন মহিলাকে তাঁতের শাড়ি এবং একশো জন পুরুষকে ধুতি প্রদান করেছেন মোহন্ত মহারাজ।

তারকেশ্বর মন্দিরের মোহন্ত মহারাজ বলেন, এলাকায় যাদের কাছে এখনো পর্যন্ত কোনো খাবার পৌঁছায়নি বা কোনও ভাবে পৌঁছানো যায়নি, তাদের আজ চাল, ডাল-সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়াও মন্দিরের পুরহিত, রাজবাড়ীর কর্মী এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রাপ্ত ব্যবসায়ীদের ১ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। আগামী দিনেও মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেন এই লকডাউনের সময় দুঃস্থ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ান।
ছবি ও সংবাদ : সুভাষ মজুমদার