হাজার হাজার বছর আগে, যখন বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলেই মানুষ প্রাগৈতিহাসিক জীবনযাপন করছিল, তখন ভারতীয় উপমহাদেশে গড়ে উঠছিল একটি সুসংগঠিত ও উন্নত নগরসভ্যতা — সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতা। এই সভ্যতা শুধু প্রাচীনত্ব নয়, তার উন্নত নগর-পরিকল্পনা, শিল্প, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তির জন্যে ইতিহাসবিদদের বিস্ময় জাগিয়েছে। এই সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে ছিল চানহুদারো (Chanhu-daro)। এটি এক প্রাচীন শিল্প ও বাণিজ্যনির্ভর নগরী, যা বহু অজানা ইতিহাস ও নিদর্শনের আধার।
চানহুদারোর ইতিহাস, আবিষ্কার, শহর পরিকল্পনা, অর্থনীতি, ধর্ম, সমাজ-সংস্কৃতি এবং এর পতনের সম্ভাব্য কারণ বিশদভাবে আলোচনা করতেই হয়।
১. চানহুদারোর আবিষ্কার ও অবস্থান
চানহুদারো বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের নবাবশাহ (Nawabshah) জেলার কাছে অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি সিন্ধু নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এবং বিখ্যাত মোহেঞ্জোদারো শহর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে।
চানহুদারো সকলের প্রথম নজরে আসে ১৯৩৫ সালে, যখন ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক আর্নেস্ট ম্যাকে (Ernest Mackay) এর খনন কার্য শুরু করেন। যদিও বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ ননীগোপাল মজুমদার ১৯৩০ সালেই খননের কাজ শুরু করেছিলেন, ততটা প্রচার পায়নি তখন বিষয়টি। এরপর ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের (Archaeological Survey of India) অধীনেও এখানকার খনন কাজ পরিচালিত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, চানহুদারো খ্রিস্টপূর্ব ২৬০০ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে সক্রিয় ছিল এবং এটি সিন্ধু সভ্যতার হরপ্পা সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই নগরী মূলত একটি ছোট আকারের শহর হলেও এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম, বিশেষ করে শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে।
ননীগোপাল মজুমদারের নাম না করলে চানহুদারোর আলেখ্য অসম্পূর্ণ থাকবে। তাঁর জন্মতারিখ ১-১২-১৮৯৭। মৃত্যু হয় ১১-১৯৩৮-এ। তাঁর জন্ম যশোরের দেবরাজপুরে। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে প্রথম হয়ে এম.এ. পাশ করেন।
১৯২৩ সালে প্রেমচাঁদ-রায়চাঁদ বৃত্তি ও গ্রিফিথ পুরস্কার লাভ করেন। গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল প্রাচীন খরোষ্টী লিপিমালা। ভারতের ইতিহাসের বহু উপকরণ-সংগ্রহ এই লিপির পাঠোদ্ধারের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর অধ্যাপনার পর ১৯২৫ সালে রাজশাহীর বরেন্দ্ৰ অনুসন্ধান সমিতির অধ্যক্ষ এবং ১৯২৭ সালে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী কর্মাধ্যক্ষ হন। ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে স্যার জন মার্শালের অধীনে গবেষণা করেন। ১৯৩০ – ৩১ সালে সিন্ধু প্রদেশে জরিপ করে কুড়িটি ভগ্নাবশেষ-বহুল স্থান আবিষ্কার করেন। ১৯৩১-এ তিনি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পূর্বাঞ্চলীয় শাখায় স্থানান্তরিত হন।
১৯৩১–৩৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তিনি হুগলি জেলার মহানাদ নামক স্থানে, বর্ধমান জেলার দেউলিয়া গ্রামে, বগুড়া জেলার অন্তর্গত প্ৰাচীন পৌণ্ডবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নিকট গোকুল গ্রামের ‘মেঢ়’ বা ‘লখিন্দরের মেঢ়’ ঢিবিতে ও দিনাজপুরের বাইগ্রামের ‘শিবমণ্ডপ’ ঢিবিতে পুরাতত্ত্বের সন্ধানে খনন-কাৰ্য চালিয়ে গুপ্তযুগের তৈজসপত্রাদি এবং বহু প্ৰাচীন স্থাপত্য ও বিবিধ প্রত্নতত্ত্বসামগ্ৰী উদ্ধার করেন।
১৯৩৭ – ৩৮ খ্রিস্টাব্দে বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর অঞ্চল থেকে প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রস্তরায়ুধের সন্ধান পান। এছাড়া বিহারের চম্পারণ জেলার লেরিয়া-নন্দনগড়ে উৎখনন-কাজ চালিয়ে বহু প্রত্নবস্তু আবিষ্কার করেন। সুপ্রাচীন লিপিমালার পাঠোদ্ধারে ও নির্ভুল ব্যাখ্যায় তাঁর বিশেষ দক্ষতা ছিল। ভারত সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ থেকে প্ৰকাশিত ‘এপিগ্রাফিক ইণ্ডিকা’ পত্রিকায় এবং ‘ইণ্ডিয়ান হিসটোরিক্যাল কোয়াটারলি’ ও এশিয়াটিক সোসাইটির পত্রিকায় তিনি উদ্ধারপ্রাপ্ত প্ৰাচীন লিপিতত্ত্বের নিজস্ব ব্যাখ্যা, মন্তব্য ও অনুবাদসহ গবেষণামূলক প্ৰবন্ধাদি প্রকাশ করে দেশীয় ও বিদেশীয় পণ্ডিত-সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। স্যার জন কামিংস কর্তৃক সম্পাদিত ‘Revealing india’s past’ গ্রন্থের ‘Pre-Historic and Proto-Historic civilization’ শীর্ষক অধ্যায়টি তারই রচনা। তাঁর রচিত ‘Exploration of Sind’ গ্রন্থটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের একটি বিবরণী (memoirs) রূপে ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে প্ৰকাশিত হয়। অপর একটি গ্রন্থে তিনি সম্রাট অশোক থেকে শকক্ষত্ৰপ নহপালের সময় পর্যন্ত ব্ৰাহ্মীলিপির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করেন। বাংলা সাময়িক পত্রিকাদিতে তাঁর রচিত বহু প্ৰবন্ধ প্ৰকাশিত হয়েছিল।
১৯২০ সালে এশিয়াটিক সোসাইটির সভ্য ও কিছুদিন কাৰ্যনির্বাহক সমিতির সদস্য ছিলেন। ১৯৩৬-এ তার ফেলো নির্বাচিত হন। ১৯৩৫-এ কলকাতার ইণ্ডিয়ান মিউজিয়ামের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মাধ্যক্ষের পদ লাভ করেন। ১৯৩৭ সালে প্রবাসী বঙ্গসাহিত্য সম্মেলনের পাটনায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনের ইতিহাস শাখার সভাপতিত্ব করেন।
ননীগোপাল মজুমদার ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে প্রথম সিন্ধু প্রদেশে জরিপ-অন্বেষণ করেন। অনুসন্ধানের সময়, তিনি আবিষ্কার করেন যে, নিম্ন সিন্ধু উপত্যকায় আদি সিন্ধু যুগের প্রথম দিকে জনবসতি ছিল। স্বল্প অনুদান পেয়েও, ১৯২৭-২৮ খ্রিস্টাব্দে, ননীগোপাল মহেঞ্জোদারোর কাছে ‘ঝুকার’ সিন্ধু উপত্যকার স্থানটি খনন করেন। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে ননীগোপাল মজুমদার ‘থারো পাহাড়’ এবং ‘ চানহুদারো’ নামক দুটি নতুন স্থান খনন করেন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে, ননীগোপাল মহেঞ্জোদারোর কাছে ডোকরি ছেড়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে কির্থর পর্বতমালা বরাবর চলে যান। ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে ফিরে আসার সময় তিনি ৩২টিরও বেশি প্রাগৈতিহাসিক স্থান আবিষ্কার করেন। তাঁর সিন্ধু অনুসন্ধান ও খননের বিস্তারিত প্রতিবেদন- ‘Exploration of Sind’ শীর্ষক গ্রন্থ ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের একটি বিবরণী হিসাবে প্রকাশিত হয়।

১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দের ১ অক্টোবর, ননীগোপালকে পুনরায় সিন্ধ অঞ্চলে অন্বেষণ করার জন্য ছয় মাসের জন্য সিন্ধুতে নিযুক্ত করা হয়। তিনি ২০০ মাইল পায়ে হেঁটে চ্যালকোলিথিক যুগের ছয়টি স্থান আবিষ্কার করেন। ১৯৩৮-এ দ্বিতীয়বার সিন্ধুপ্রদেশের দাদু জেলায় অনুসন্ধানের সময় উপজাতীয় হুর দস্যু কর্তৃক তিনি নিহত হন। তাঁর মতো অকুতোভয় প্রত্নতাত্ত্বিকের এইভাবে মৃত্যু বড়ই মর্মান্তিক।
২. শহর পরিকল্পনা ও নাগরিক অবকাঠামো
চানহুদারোতে পাওয়া গেছে অত্যন্ত সুচিন্তিত নগর পরিকল্পনার নিদর্শন। পুরো শহরটি ছিল একটি “গ্রিড সিস্টেম”-এর উপর নির্মিত, অর্থাৎ রাস্তাগুলি একে অপরকে সমকোণে ছেদ করেছে এবং প্রতিটি ব্লকে ছিল আবাসিক ঘর, কারখানা ও পয়ঃনিষ্কাশনের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা।
নির্মাণশৈলী
গৃহগুলি পাকা পোড়ামাটির ইট দিয়ে তৈরি, যেগুলির আয়তন প্রায় ২৭x১৩x৭ সেমি। বাড়িগুলোর মধ্যে ছিল বহু কক্ষ, অভ্যন্তরীণ উঠান, বাথরুম ও কুয়া। প্রায় প্রতিটি বাড়িতে একটি করে নিজস্ব কুয়া ও স্নানের জায়গা ছিল।
পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত আধুনিক – ঘর থেকে বের হওয়া নোংরা বর্জ্য জল নালা দিয়ে মেইন ড্রেনে গিয়ে পড়ত, যা শহরের বাইরে গিয়ে নিষ্কাশিত হতো। এই ড্রেনগুলি ছিল ঢাকা এবং সময় সময় পরিস্কার করার জন্য ম্যানহোলের ব্যবস্থাও ছিল।
শহরের রাস্তাগুলি ছিল ইট দিয়ে মোড়া এবং কিছু রাস্তায় দিক নির্দেশনার চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা পরিকল্পিত নগরায়ণের একটি পরিচায়ক।
৩. শিল্প ও প্রযুক্তির অগ্রগতি
চানহুদারোকে বলা হয় “শিল্পনগরী” কারণ এখানকার প্রধান কার্যক্রম ছিল কুটির শিল্প, ধাতব কাজ, সীলমোহর নির্মাণ এবং মৃৎশিল্প।
চানহুদারো থেকে পাওয়া সবচেয়ে বিখ্যাত নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে সীলমোহর (seal)। এগুলিতে পশুপাখির ছবি ও অদ্ভুত চিহ্ন খোদাই করা ছিল, যা সিন্ধুলিপি নামে পরিচিত। যদিও এই লিপির পাঠোদ্ধার এখনো সম্ভব হয়নি, তথাপি এটিই প্রমাণ করে তারা লিখিত যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যবহার জানত।
এখানকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য শিল্প হলো পুঁতির মালা ও অলঙ্কার নির্মাণ। বিভিন্ন রঙের পাথর, সোনার পাত, কাঁচ ও মাটির মাধ্যমে তারা নানারকম গহনা তৈরি করত।
চানহুদারোতে তামা ও ব্রোঞ্জ দিয়ে তৈরি ছুরি, ছোট ছুরি, সূঁচ এবং যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে। এর মানে তারা ধাতুবিদ্যার জ্ঞান ও প্রয়োগে দক্ষ ছিল।
৪. ধর্ম ও বিশ্বাস
সিন্ধু সভ্যতার ধর্মীয় চর্চা আজও রহস্যাবৃত। চানহুদারো থেকে কিছু নারী মাতৃমূর্তি (Mother Goddess), পশু-মূর্তি এবং পবিত্র বৃক্ষের প্রতীক পাওয়া গেছে। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, তারা প্রকৃতিপূজক ছিল এবং উর্বরতা ও প্রাকৃতিক শক্তিকে দেবতা হিসেবে মান্য করত।
বিশেষ কোনো মন্দির বা পূজামণ্ডপের সন্ধান না পাওয়ায় অনুমান করা হয় ধর্মচর্চা ছিল পারিবারিক বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক। পবিত্র গাছ, ষাঁড় এবং নারীমূর্তি – এ সবই পরবর্তীকালে হিন্দু ধর্মে স্থান পেয়েছে, যা সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের ইঙ্গিত বহন করে।
৫. শিক্ষা ও যোগাযোগ
যদিও শিক্ষার সুনির্দিষ্ট কাঠামোর প্রমাণ পাওয়া যায় না, তবে সীলমোহরের লেখনী প্রমাণ করে চানহুদারোবাসীরা লিখতে জানত এবং নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করত।
এছাড়াও বিভিন্ন গাণিতিক নকশা, পরিমাপক যন্ত্রাংশ ও কারিগরি গঠন বুঝিয়ে দেয় যে তারা গণিত ও প্রকৌশলে উন্নত ছিল।

৬. অর্থনীতি ও বাণিজ্য
চানহুদারোর অর্থনীতি ছিল মূলত শিল্প ও বাণিজ্যনির্ভর। এখানে উৎপাদিত সামগ্রী শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, বহির্বিশ্বেও রপ্তানি করা হতো।
পুঁতির মালা, সীলমোহর, মৃৎপাত্র, ধাতব সামগ্রী – এসব সামগ্রী মেসোপটেমিয়া ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে রপ্তানি করা হতো। এতে বোঝা যায় তারা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
চানহুদারোর কাছাকাছি কোনো নদীবন্দর ছিল বলে ধারণা করা হয়, যেখান দিয়ে নদীপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
৭. সামাজিক গঠন ও জীবনধারা
চানহুদারোর সমাজ ছিল শ্রেণিভিত্তিক। কিছু বড় ও সজ্জিত ঘর পাওয়া গেছে, যা ধনী শ্রেণির আবাসন হিসেবে বিবেচিত। আবার কিছু ছোট এককক্ষের ঘরও রয়েছে, যেগুলি হয়তো শ্রমজীবীদের ছিল।
নারী-পুরুষ উভয়েই শিল্প ও গৃহস্থালির কাজে অংশগ্রহণ করতেন বলে মনে করা হয়। খেলনার মূর্তি, শিশুদের জন্য ছোট পাত্র, পশুমূর্তির খেলনা ইত্যাদি শিশুদের জন্য ব্যবহৃত হত, যা পারিবারিক কাঠামোর অস্তিত্বের প্রমাণ দেয়।
৮. পতনের সম্ভাব্য কারণ
চানহুদারোসহ গোটা সিন্ধু সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায় খ্রিস্টপূর্ব ১৯০০-১৮০০ সালের মধ্যে। এর কারণ আজও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি, তবে কয়েকটি প্রধান তত্ত্ব রয়েছে:
ভূমিকম্প, বন্যা অথবা নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার ফলে চাষযোগ্য জমি ও জলস্রোত ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।
অতিরিক্ত বন উজাড়, জমির অধিক ব্যবহার এবং তীব্র জলসংকট সভ্যতাকে দুর্বল করে তুলেছিল।
চানহুদারো আর ননীগোপাল মজুমদার বাঙালি গবেষকদের কাছে সমার্থক। ম্যাকে সাহেবের আগেই যে তিনি চানহুদারোয় খননকার্য শুরু করেছিলেন, সেটা আমাদের গর্বের বিষয়। বস্তুত রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, অতুল সুর, ননীগোপাল মজুমদাররা প্রত্নতাত্ত্বিক খননের জগতে ভারতে পথিকৃতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
ঋদ্ধ হলাম ????
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।