ফিলিপ ফ্রান্সিস, স্যার জন শোর, বাউটন রাউস প্রমুখ উপনিবেশের প্রাথমিক যুগের ইংরেজ লেখক-ইতিহাসবিদেরা জমিদারি বুঝতে প্রকৃত তথ্যের ওপর নির্ভর না করে মূলত পরিসংখ্যান নির্ভর অনুমান আর নিছক মুঘল আইনি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে মুঘল আমল নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন। তারা সম্ভবত জানতেন না, মুঘল শাসন আমলে রাজস্ব আদায়ের ভার জমিদারদের ওপর ছিল না, মূলত ন্যস্ত করা হতো সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর; তাছাড়া তারা বুঝতেই পারেন নি, এইসব বিখ্যাত লেখক-ঐতিহাসিকেরা যে সব বড় জমিদারী এস্টেটগুলো চিনতেন, জানতেন, সে সবই মূলত অর্বাচীন কালের সৃষ্টি। তবে, আমি এ কথাও অস্বীকার করতে চাই না, বাংলায় মুঘল প্রশাসনের ‘স্বর্ণযুগ’ বলে আদৌ কোনও যুগ থাকতে পারে না। যদি এমন কোনো কল্পনায় থাকা আশীর্বাদধন্য সময় থেকেও থাকে, তবে সেই যুগের অবসান, ইংরেজরা এই দেশে আসার অনেক আগেই ঘটেগিয়েছিল। আমাদের একটা কঠোর সত্য স্বীকার করতেই হবে, ভেরেলস্টের সময়ে শাহ সুজার সুবাদারীর সময়কালকে ‘সুশৃঙ্খল ও সুশাসনের যুগ’ হিসেবে মান্য করা হয়েছে বটে, কিন্তু সে সময়ের ইংরেজ দলিলপত্র এই ধারণাকে সমর্থন করে না। (ভেরেলস্ট : ভিউ, ইত্যাদি, পরিশিষ্ট, পৃ. ২৩০। ‘দেশের প্রাচীন বিভাগগুলোয় বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি, এবং বর্তমানে যে বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে, তা সে সময়ের পরবর্তী ঘটনা) ব্রিটিশ ভারতবর্ষের একাউন্টট্যান্ট এন্ড কম্পট্রোলার জেনারেল মি. জেমস ওয়েস্টল্যান্ড, Report On District Of Jessore-এ আমাদের এমন একটি চিত্র তুলে ধরেছেন, যার রূপরেখা অতীত পর্যালোচনা করলে এই ধারণা দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত হয় :
‘সাধারণত জমিদাররা অশান্ত প্রকৃতির গোষ্ঠী; তারা অত্যন্ত স্বাধীন এবং তারা রাজস্ব জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় খুব একটা সময়নিষ্ঠ ছিল বলে মনে হয় না। তবে, এ কথাও বলা দরকার, তারা নির্দিষ্ট সময়ে নবাবের কাছারিতে রাজস্ব জমা দিয়ে, ইচ্ছে মত নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করার এবং ছোট প্রতিবেশী গ্রাস করার অবাধ ছাড়পত্র এমনিতেই অর্জন করে নিত; একটা বিষয় পরিষ্কার করে দেওয়া যাক, জমিদারদের রাজস্ব জমা সুনিশ্চিত করতে নবাবেরা প্রতি জেলায় ছোট বাহিনী দিয়ে একজন সামরিক গভর্নরের পদ তৈরি করে সামরিক ছাউনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই ধরণের কর্মকর্তাকে ফৌজদার বলা হতো। ফৌজদার নবাবের পক্ষে এমন এক ঐশ্বর্যময় সামরিক ক্ষমতার প্রদর্শনীর ঠাট বজায় রাখতেন, যে প্রাবল্য দেখে প্রত্যেক জমিদার, নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট পরিমান — অথবা যতটা রাজস্ব দিলে নবাব সন্তুষ্ট হতেন, সেই পরিমান রাজস্ব জমা দিয়ে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে চাইতেন। সম্ভবত এই দায়িত্বের বাইরে ফৌজদাররা বেরোতে চাইতেন না, কারণ নবাবদের শাসনব্যবস্থা আদতে ছিল দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া এক ধরনের সামরিক দখলদারিত্ব; যেসব জমিদার নবাবকে শুধুই রাজস্ব জমা দিয়েই হাত ধুয়ে ফেলত, তারাই ছিল প্রকৃত ক্ষমতাধর; সমস্যা হল এই দেশকে নিজের দেশ হিসেবে শাসন করার মতো প্রশাসনিক কাঠামোর অস্তিত্ব তাদের ছিল না।’ (ওয়েস্টল্যান্ড: পূর্বোক্ত গ্রন্থ, পৃ. ৫৩। ওয়েস্টল্যান্ড একটা বিষয় উপেক্ষা করেছেন, ফৌজদারদের নিয়োগ দিতেন মূলত সম্রাটরা। নবাবের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য ফৌজদারদের নিয়োগ করা হলেও, এই সমর পদাধিকারীরা প্রায়শই দ্বৈত শাসনের পরিবেশ তৈরি করে প্রায়শই মন্দ পরিণতির জন্ম দিয়েছে। ঐতিহাসিক ওয়েস্টল্যান্ডের বিবৃতির সাথে ফিলিপ ফ্রান্সিসের তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির তুলনা করা যেতে পারে: ‘রাজস্ব আদায়ের সুপ্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হত। জমিদাররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজেরাই স্বউদ্যোগে কোষাগারে খাজনা পরিশোধ করতেন। সরকারের পক্ষ থেকে কালেক্টরদের জমিদারিতে পাঠানো হলেও, সেটা জমিদারদের জমির ব্যবস্থাপনা থেকে বঞ্চিত করার জন্য অথবা জমির মালিক হিসেবে তাদের বড় লাভের পরিমাণ আবিষ্কার করে, সেই অতিরিক্ত লাভ সরকারের খাতে জমা করার উদ্দেশ্যে ছিল না। এই ধরনের কর্মকর্তা মূলত পাঠানো হতো, জমিদারের ত্রুটি অথবা খাজনা জমা দেওয়ার ব্যর্থতার দিকে নজর রেখে, জমি বাজেয়াপ্ত বা সাময়িকভাবে দখল করে সরকারের পাওনা আদায় করার জন্য। একারণেই তাদের সাজাওয়াল বলা হতো, যার আক্ষরিক অর্থ শাস্তিদাতা।’ ফ্রান্সিস: পূর্বোক্ত গ্রন্থ, পৃ. ৩৪।)
ফৌজদারদের প্রসঙ্গ থেকে এবার জমিদারদের দিকে দৃষ্টি ফেরানো যাক। প্রাতিষ্ঠানিক ব্যুৎপত্তিগত অর্থে জমিদার শব্দে জমির (জমিন) মালিক (দার) বোঝায়। রাজস্ব ব্যবস্থায় জমিদার হলেন এমন মানুষ, যিনি পরগনা নামে পরিচিত একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড অথবা তার একটি অংশের অধিকারী। ১৭৭৫ থেকে ১৭৯৩ — চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের আগের সময় পর্যন্ত এই প্রশ্ন নিয়ে পাণ্ডিত্যপূর্ণ আলোচনাও ছিল, আর অনেকটাই ছিল তীব্র বিতর্ক, ‘ভারতের সমস্ত জমির মালিক কি সার্বভৌম শাসক? নাকি জমিদাররা?’ এই বিতর্কে জমিদারদের মালিকানা সংক্রান্ত অধিকার বিষয়ে ফিলিপ ফ্রান্সিস তাঁর গোঁড়া দাবি প্রতিষ্ঠা করার জন্য জমিদার শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থকে জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন। ফ্রান্সিস লিখেছিলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, কোম্পানি প্রথমদিকে একটি ভুল ধারণা পোষণ করেছিল যে, মুঘল সাম্রাজ্যের সংবিধান অনুসারে শাসন ক্ষমতা পরিচালকেরাই জমির মালিক; ফলস্বরূপ, তাদের অধিকৃত অঞ্চলের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকার হিসেবে একটি নির্দিষ্ট কর নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা তাদের উচিত নয়, কারণ জমিদার হিসেবে সমগ্র ফসলের অধিকার তাদের রয়েছে।’ এই ভুলের বিরোধিতা করে ফ্রান্সিস যুক্তি দিয়েছিলেন যে, ‘জমির চাষাবাদ হিন্দুদের হাতেই ছেড়ে দেওয়া উচিত, কারণ এটি তাদেরই সম্পত্তি।’
‘জমিদার কে?’ — প্রশ্নটা সম্ভবত যতটা ফ্রান্সিসকে ভাবিয়ে তুলেছিল, কোম্পানির অন্য কর্মচারীর মনে হয়ত ততটা গুরুত্ব নিয়ে ধাক্কা দিতে পারে নি। কোম্পানি সরকারের ভাবনা চিন্তা আবর্তিত হচ্ছিল মোটের ওপর তাদের হাতে ন্যস্ত হওয়া মুঘল আমলের সার্বিক ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা ঘিরেই। জমির মালিকানার প্রশ্নকে (বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল ভূমির ওপর নিরঙ্কুশ মালিকানা সংক্রান্ত সেই ধারণাগুলো আমদানির ফলে, যা ইংরেজরা সাধারণত তাদের নিজেদের আইনজীবীদের শিক্ষা উপেক্ষা করেই পোষণ করত) ফ্রান্সিসই ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছিলেন; তার আগে এই প্রশ্ন নিয়ে খুব বেশি মানুষ মাথা ঘামিয়েছিলেন বলে মনে হয় না। জমিদারের সম্পত্তির অধিকারের বিমূর্ত প্রশ্ন নিয়ে হেস্টিংস স্পষ্টতই আলোচনা করতে অস্বীকার করেছিলেন। তিনি ‘রিভিউ অফ দ্য স্টেট অফ বেঙ্গল’ (জি. ডব্লিউ. ফরেস্টের ‘সিলেকশনস ফ্রম দ্য স্টেট পেপারস অফ দ্য গভর্নর-জেনারেলস অফ ইন্ডিয়া : ওয়ারেন হেস্টিংস’ গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত — ‘ইংল্যান্ডের জনসাধারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হিন্দুস্তানের জমিদারদের অধিকার সম্পর্কে অত্যন্ত উচ্চ ধারণা পোষণ করেছে; প্রচলিত কুসংস্কার অনুযায়ী, জমিদারকে তার জমির ব্যবস্থাপনা থেকে সাময়িকভাবে উচ্ছেদ করাকে অত্যাচারী কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আমি এখানে তাদের অধিকার নিয়ে কোনো আলোচনা করতে চাই না, অথবা তাদের পরিস্থিতির ক্ষেত্রে অধিকার, ঘটনা এবং রূপের মধ্যে পার্থক্য করতে চাই না। আমাদের সরকার এমন কিছু যুক্তির ভিত্তিতে, যা হয়তো আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রমাণিত হতে পারে, তাদের জমির বৈধ মালিকানার মত স্বীকার করে নিয়েছে। আমি জমির উৎপাদনের ওপর সরকারের অধিকার দাবি প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি জমির উপর তাদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত অধিকারকে অস্বীকার করতে চাই না। মুসলমান শাসকদের কঠোর অত্যাচারের ঘটনা বাংলার ব্রিটিশ প্রশাসনের কাছে অনেকটাই অপরিচিত ছিল। মাথায় রাখতে হবে, জমিদারদের খাজনা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য, কেবল সাময়িকভাবে নয়, চিরস্থায়ীভাবেও তাদের জমি থেকে উচ্ছেদ করার ক্ষমতা ক্রমাগত প্রয়োগ করত মুসলমান শাসকেরা।’ এরপর রাজশাহী সম্পর্কিত অনুচ্ছেদটি রয়েছে। ঐ, পৃ. ৭২) (যা ১৭৮৫-৮৬ সালে দেশে ফেরার পথে লেখা) গ্রন্থে বলেন, ‘আমি তাদের (জমিদারদের) জমির উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত অধিকার নিয়ে বিতর্ক করতে চাই না, বরং আমি এর উৎপাদিত ফসলের উপর সরকারের অধিকারের কথা বলছি।’ তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি সংক্রান্ত আলোচনা থেকে মুখ ফিরিয়ে কোম্পানির কর্মচারীদের চোখের সামনে ঘটতে থাকা বাস্তব ঘটনাগুলোর দিকে চোখ ফেরাতে ইঙ্গিত করেন। ‘বাংলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জমিদারী, রাজশাহী – যে জমিদারি থেকে বছরে প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়, গত আশি বছরে বিপুল সংখ্যক উৎখাত হওয়া জমিদারের সম্পত্তি একত্রিত করে বর্তমানের বিশাল আকারে পৌঁছেছে, যদিও বর্তমান মালিকের পূর্বপুরুষদের উত্তরাধিকারসূত্রে সমগ্র জমিদারীর মধ্যে একটি গ্রামে বিন্দুমাত্রও অধিকার ছিল না।’ (জমিদারদের চরিত্রে বা তার বংশমর্যাদার প্রাচীনত্ব আরোপ করার ক্ষেত্রে ইংরেজ লেখকদের প্রবণতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ লর্ড মেকলের বেনারসের রাজাদের বিবরণ থেকে পাওয়া যায়। অথচ রাজা চৈত সিংয়ের পিতা, যিনি প্রথম রাজা উপাধি ধারণ করেছিলেন, তিনি প্রথমে অযোধ্যার নবাবের রাজস্ব বিভাগের একজন সাধারণ ইজারাদার ছিলেন।)
রাজশাহী সম্ভবত গবেষকদের জমিদারিগুলোর প্রাচীনতা খোঁজ বিলাসিতার চরমতম দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে, এমন জমিদারদের কথা উল্লেখ করাও সম্ভব, যারা অত্যন্ত প্রাচীন পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করতেন এবং যাদের জমিদারি পদ উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বলে বর্ণনা করা যুক্তিসঙ্গত। বিষ্ণুপুর আর বীরভূমের রাজারা যেহেতু ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল সীমান্তের জলাভূমির রক্ষক, তাই তাদের নবাব মুর্শিদকুলি খানের কঠোর আর্থিক অত্যাচারের মুখোমুখি হতে হয় নি এবং তাদের আমরা ত্রিপুরা, কোচবিহার, নদীয়া, বর্ধমান ইত্যাদির মতো প্রভাবশালী জমিদারি কাঠামোর উদাহরণের সঙ্গে জুড়তে পারি, যারা সরকারি অনুদানের চেয়ে বংশগত অধিকারের মাধ্যমেই উপাধি ভোগ করতেন। এই বিতর্কের অন্তর্নিহিত সমস্যা ছিল এই যে, জমিদার শব্দটি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করত যাদের ভোগদখলীয় ভূমির সাথে সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। জমিদার বলতে প্রাচীন হিন্দু সার্বভৌমত্বের প্রতিনিধিকে বোঝাত; জমিদার নামে এমন এক সরকারি ইজারাদার বোঝাত, যিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উচ্ছেদ হওয়া জমিদারের ভূমি দখল নিয়ে সেখানে নিজেকে প্রতিস্থাপন করে তার জমিদারিটি বর্তমানে ভোগদখল করেছেন। এবং জমিদারি কিন্তু কেবল এক পরগনার দখলদারিও বোঝাত। কিন্তু, মালিকানার বিষয় বাদ দিলেও, একটা বিষয় স্পষ্ট ছিল এই সব ধরনের জমিদারদের রাষ্ট্রের প্রতি অন্তত একটি নিয়মিত প্রধান কাজ ছিল — তারা সকলেই কৃষকদের শস্যক্ষেত্রে উৎপাদিত ফসলের সার্বভৌম অংশের ফলন, শস্য বা আর্থিক মূল্যের আকারে, সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী ছিলেন, এবং এই কাজ তাদের সনদ বা নিয়োগপত্রের শর্তাবলীতে লিখিতভাবে বলা হয়েছিল। মালিকানা, বংশগত উত্তরাধিকার ইত্যাদি সম্পর্কে যা কিছু বলা হোক না কেন, ভূমির কৃষি উৎপাদনে শাসকের অংশিদারির অধিকার যেকোনো একক জমিদারের অধিকার হিসাবে দাবির চেয়েও অনেক বেশি প্রাচীন এবং এটা স্থানীয় ধারণায় আরও দৃঢ়ভাবে প্রোথিত ছিল।
চলবে
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ