[এর আগের দুটো পর্বে রজতকান্ত রায়ের পলাশীর ষড়যন্ত্র ও সেকালের সমাজ থেকে বেশ কয়েকটা স্তবক তুলে দেখিয়েছি, পলাশী উত্তর সময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং তার কোলাবরেটরেরা অর্ধবঙ্গেশ্বরী রাণী ভবানীর ওপর কি অত্যাচার করেছিল, এবং তাঁর জমিদারির কি হাল করেছিল। এই পর্বে আমরা দেখব সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে জনগণের ওপর অত্যাচারের বন্যা নামিয়ে আনা কোম্পানি সরকার রাণী ভবানীর জমিদারি কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে — ‘রানী ভবানী — যিনি ছিলেন ওই অঞ্চলের জমিদার — তাঁর সাথে তিন বছরের জন্য একটি বন্দোবস্ত বা ইজারা চুক্তি সম্পাদন করা হয়। … রানীকে এই মর্মে অবহিত করা হয় যে, তিনি যেন “যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত জেলা তিন বছরের জন্য ইজারা বা ‘ফার্ম’-এ প্রদান করেন।” তাঁকে আরও জানিয়ে দেওয়া হয় যে, “যদি তাঁর দেয় রাজস্ব বা ‘মালগুজারি’ পরিশোধে কোনো ঘাটতি দেখা দেয়, তবে জমিদার হিসেবে তাঁর অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে।” রাজস্ব বা ‘মালগুজারি’ যেন নিয়মিত পরিশোধ করা হয় — সেদিকে “কঠোর নজর রাখার” জন্য “দুলাল রায়”-কে নিযুক্ত করা হয়’। রাজস্ব আদায়ের কাজে কোম্পানি নিয়োজিত দুই সাঁজোয়াল দুলাল রায় এবং প্রাণ বসু গোটা রাজশাহী অঞ্চলে রাজস্ব আদায়ের সূত্রে বিপুল টেররের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন যাতে কোম্পানি কর্তা ক্লাইভের প্রিয় পাত্ররা রাণী ভবানীকে উচ্ছেদ করে তার জমিদারি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে পারেন। এই পর্বে পঞ্চম প্রতিবেদন অনুবাদ প্রবেশের আগে উপস্থাপন করব কোম্পানি সরকারকে লেখা রাণী ভবানীর চিঠি —
দেশ লুণ্ঠিত হইয়াছে
ভাদ্র মাসে নদীর বাঁধ ভাঙা প্রজার জমি ভাসিয়া গেল শস্য হইল না। আমি জমিদার সুতরাং প্রজাকে সর্বনাশ হতে রক্ষা করা কর্তব্য মনে করিলাম। খাজনা দাখিল সম্বন্ধে তাহাদিগকে সময় দিয়া যথা সাধ্য দুঃখ লাঘব করিলাম। সাহেবগনকে অনুরোধ করিলাম আমাকেও ঐরূপ সময় দেওয়া হউক। ক্রমে রাজস্ব পরিশোধ করিব। কিন্তু আমার প্রতি অবিশ্বাস করিয়া তাহারা আমার কাছারি আমার গৃহ হইতে মতিঝিলে স্থানান্তরিত করিলেন। এবং আমার ও দেশের নিকট খাজনা আদায় করিবার জন্য দুলাল রায়কে ভৃত্য ও সাজাওল নিযুক্ত করিলেন।
তাহার পর আমার বাড়ি ঘেরাও হইল। আমার টাকাকড়ির অনুসন্ধান হইল। আমি জমিদারস্বরূপ যাহা খাজনা আদায় করিয়াছিলাম, যাহা কর্জ্জ করিয়া আনিয়া ছিলাম, আমার মাসিক নিত্য যাহা ছিল, সব লইয়া গেল। সর্বশুদ্ধ ২২,৫৮৬,৭৪ টাকা হইয়াছিল।
নতুন বৎসর ১৮৮১ (১১৮১?) সালে (১৭৭৪ খ্রিঃ) আমাকে সমস্ত অধিকারে বঞ্চিত করিয়া ২২,২৭,৮১৪ টাকায় দুলাল রায়কে আমার জমিদারি বিলি করিয়াছিল। তখন দুলাল রায় ও পরাণ বোস দেশে নতুন মাথট এবং আসি জাফর বসাইয়া দিল। যাহারা পূর্বে জমি ত্যাগ করিয়া গিয়েছিল তাহাদের নিকট যে খাজনা প্রাপ্য ছিল সেই খাজনা বর্তমান রায়তের নিকট আদায় করিতে লাগিল। এই দুইজন হুকুম জারি করিতে লাগিল, রায়তের যথাসর্বস্ব এমনকি শস্যবীজ ও বলদ পর্যন্ত হরণ করিতে লাগিল। এইরূপ প্রজাহ্রাস ও জমিদারি নষ্ট করিল। আমি পুরাতন জমিদার, আমি কোন দোষ করি নাই। দেশ লুণ্ঠিত হইয়াছে।
দ্য পিজান্ট্রি অব বেঙ্গল, রমেশচন্দ্র দত্ত।
এখানেই আমাদের রাণী ভবানীর জমিদারি বিষয়ক আলোচনা পর্ব শেষ হল — অনুবাদক]
১৭৬৯-এর জুন মাসে গভর্নর ভেরেলস্ট মুর্শিদাবাদ সফরে ছিলেন; সেই সময়ে তিনি বেচারের সহযোগিতায় ৩০শে জুন তারিখে একটা লম্বা চিঠি লেখেন, যে চিঠিটা পরের সময়ে ৮ই জুলাইয়ের ‘গোপন কমিটির কার্যবিবরণী’তে (Consultations of the Secret Committee) পেশ করা হয়। এই চিঠির বিষোয়বস্তু থেকে জানা যায়, দেশের দুর্দশাগ্রস্ত পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে জমিদারদের রাজস্বের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ছাড় দেওয়া হয়েছিল; দেশের দুর্দশাগ্রস্ত পরিস্থিতি সত্ত্বেও, চিঠির দুই লেখক আরও বেশি রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী ছিলেন। (এই স্তবকের টিকা নিচে উল্লিখিত হল)
এই চিঠি ১৭৬৯ সালে ‘দিওয়ানি এলাকা’-র অবস্থা বিষয়ে বিশেষকরে আলোকপাত করেছে —
১৭৬৮-তে রাজশাহী অঞ্চলকে বারো বিভাগ বা জেলায় ভাগ করা হল এবং সে সব বিভাগ এমন কিছু লোকের হাওয়ালায় ইজারা দেওয়া হয়েছিল, যারা রাজকোষে ২৬,৯৪,৬০২ টাকা ১৫ আনা ১৩ পাই জমা দেওয়ার অঙ্গীকার করে—এবং তারা সেই অঙ্গীকার পালনও করে। ১৭৭০-এ বেচার (Becher) তদন্ত করে দেখতে পান, ওই জেলার ইজারাদারেরা প্রাপ্য অর্থের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ আদায় করেছে এবং এই কাজ করতে গিয়ে তারা রায়তদের (প্রজাদের) ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে। এমতাবস্থায় ৯৩,৬০২ টাকা ১৫ আনা ১৩ পাই পরিমাণ অর্থ মওকুফ করা হয় এবং রানী ভবানী—যিনি ছিলেন ওই অঞ্চলের জমিদার—তাঁর সাথে তিন বছরের জন্য একটি বন্দোবস্ত বা ইজারা চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

রানীকে এই মর্মে অবহিত করা হয় যে, তিনি যেন “যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত জেলা তিন বছরের জন্য ইজারা বা ‘ফার্ম’-এ প্রদান করেন।” তাঁকে আরও জানিয়ে দেওয়া হয় যে, “যদি তাঁর দেয় রাজস্ব বা ‘মালগুজারি’ পরিশোধে কোনো ঘাটতি দেখা দেয়, তবে জমিদার হিসেবে তাঁর অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে।” রাজস্ব বা ‘মালগুজারি’ যেন নিয়মিত পরিশোধ করা হয়—সেদিকে “কঠোর নজর রাখার” জন্য “দুলাল রায়”-কে নিযুক্ত করা হয়। [এই হুমকি প্রেক্ষিতে আগের দুটি কিস্তি আলাদা করে লেখা হয়েছে]
ঢাকা। এখানে ২৬,৩৫০ টাকা রাজস্ব কমানো বা ছাড় দেওয়া জরুরি বলে বিবেচিত হয়; কারণ তিন বছর আগে বাকেরগঞ্জের অদূরে তাঁর অনুচরদের হাতে এক ইউরোপীয় ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় নদুল্লাপুরের জমিদার মহম্মদ আলীকে পদচ্যুত করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে নিযুক্ত নতুন জমিদার তাঁর ওপর ধার্যকৃত ‘নজরানা’-র তৃতীয় বছরের কিস্তিটি পরিশোধ করতে অসমর্থ হন।
বীরভূম। “এখানকার রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব জমিদারের ওপরই ন্যস্ত করা হয়েছে… তাঁকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, সামান্যতম ব্যত্যয় ঘটলেই তিনি তাঁর জমিদারির অধিকার হারাবেন এবং তাঁর এলাকা বা জমিদারির শাসনভার অন্য কারো হাতে তুলে দেওয়া হবে।” এই বন্দোবস্তের শর্তাবলি ছিল নিম্নরূপ :

নদিয়া। রাজা তাঁর দেয় রাজস্বের একটি বিশাল অংশ আটকে রেখে অত্যন্ত অসাধু আচরণের পরিচয় দিয়েছেন। তাছাড়া (যদি জনশ্রুতি বা সাধারণ মানুষের কথা বিশ্বাস করা হয়) তিনি তাঁর এলাকার মঙ্গলের প্রতি চরম অবহেলা প্রদর্শন করেছেন এবং রায়তদের চরম দুর্দশার মুখে ঠেলে দিয়েছেন। এমতাবস্থায় আমাদের অভিমত হলো—আমাদের নিয়োগকর্তাদের স্বার্থরক্ষা এবং এই জেলাগুলোর রায়তদের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ হবে রাজার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া এবং তাঁর এলাকাটি তিন বছরের জন্য ইজারা বা ‘ফার্ম’-এ প্রদান করা। নদিয়া দেশের (Nadea country) একটি বিশাল অংশ যেহেতু কলকাতা থেকে খুব বেশি দূরে অবস্থিত নয়, তাই সেখানকার বিত্তবান ব্যক্তিরা কৃষিকাজে নিয়োজিত হতে আগ্রহী ছিলেন; এবং মন্ত্রীরা—আমাদের মতোই—তাঁদের প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করাকে সঠিক বলে মনে করেছিলেন। এই প্রস্তাবগুলো ছিল: চলতি বছরে রাজকোষে আট লক্ষ সিক্কা টাকা জমা দেওয়া; ১৭৬৭ সালে আট লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা; এবং ১৭৬৮ সাল থেকে প্রতি বছর নয় লক্ষ টাকা — যা দিয়ে নবাবের ব্যক্তিগত খরচ এবং ‘খিলাত’ (সম্মানসূচক পোশাক) ইত্যাদির আনুপাতিক ব্যয় নির্বাহ করা হবে।
রংপুর। এখানকার প্রাক্তন আমিল, সৈয়দ মহম্মদ খান, পদচ্যুত হয়ে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন। “প্রতিবেদনে জানা যায় যে, এই অঞ্চলটি বর্তমানে অবনতির পথে রয়েছে।”
দিনাজপুর। ১৭৬৮ সালের জুলাই মাসে, একজন আমিল (“বুজি মোহন মিত্র”)-কে কিছু বিশেষ শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। শর্তগুলো ছিল এই রূপ: “তাঁর সাথে কোনো নির্দিষ্ট চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া হয়নি; বরং সেখানে পৌঁছানোর পর তিনিই রাজস্ব বন্দোবস্ত (বন্দোবস্ত) চূড়ান্ত করবেন, রাজস্ব আদায়ের যাবতীয় খরচ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করবেন এবং যেসব খরচ অপ্রয়োজনীয় বলে মনে হবে, তা বাদ দেবেন। তাঁকে একটি নির্দিষ্ট বেতন প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল; এবং রাজস্ব বাবদ যা কিছু আদায় হবে—অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খরচসমূহ ও তাঁর নিজের বেতন বাদে — তার পুরোটাই সরকারের (Sircar) খাতে জমা করতে হবে।” পরবর্তীতে দেখা গেল যে, “যদিও তিনি হয়তো কোনো প্রকার জালিয়াতির আশ্রয় নেননি, তবুও তাঁর ওপর ন্যস্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি তিনি নিশ্চিতভাবেই যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি।”
রাজমহল—”পাহাড়ি আদিবাসীদের হাতে বারবার আক্রান্ত হয়ে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায়” — সেখানকার রাজস্ব বাবদ ১২,১৪০ টাকা ছাড় বা রেয়াত মঞ্জুর করা হয়েছিল। নবাব এবং রেসিডেন্ট, গভর্নর-এর নিকট অনুরোধ জানিয়েছিলেন যেন রাজমহলে এক ব্যাটালিয়ন সিপাহি মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভেরেলস্ট: ভিউ, ইত্যাদি, পরিশিষ্ট পৃষ্ঠা ২২৪।
(টিকা শেষ)
পূর্ণিয়া প্রসঙ্গে তারা লিখেছেন : —
“পূর্ণিয়া প্রদেশ অত্যন্ত বিশাল এবং সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল হলেও, বর্তমানে এখানকার অধিবাসীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কিছু নমনীয় ও উদার পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই আমরা মনে করলাম, যদি এমন কোনো ব্যক্তিকে এই জেলার রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে নিযুক্ত করা যায় — যার সততা ও সংযমের ওপর আমরা নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারি — তবে সেই পদক্ষেপ আমাদের জন্য এক বিরাট সাফল্য হিসেবে গণ্য হবে; আর এর ফলে রায়তদের (প্রজাদের) মনেও আস্থার সঞ্চার হবে। এই উদ্দেশ্যেই আমরা মন্ত্রীদের কাছে প্রস্তাব পেশ করলাম, হুগলির ফৌজদার — মুহাম্মদ আলী খান — যিনি সাধারণত অত্যন্ত সচ্চরিত্র ও গুণবান ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত, তাকেই যেন এই দায়িত্বে প্রেরণ করা হোক। মন্ত্রীরা আমাদের এই সুপারিশে সম্মতি জানালেন। আমরা অবিলম্বে এর সুফল প্রত্যক্ষ করার আনন্দ লাভ করলাম; পূর্ণিয়ার যে সকল রায়ত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আমাদের কাছে এসেছিলেন, মুহাম্মদ আলী খানের নিয়োগের সংবাদ শুনে তারা অত্যন্ত সন্তুষ্টচিত্তে নিজ গৃহে ফিরে গেলেন এবং বললেন যে, তারা ন্যায়বিচার প্রাপ্তি সম্পর্কে এখন আর বিন্দুমাত্র সন্দিহান নন। যেহেতু এই জেলা আয়তনে বেশ বিশাল এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, যথাযথ ব্যবস্থাপনার অধীনে থাকলে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এই জেলা থেকে রাজস্ব বাবদ আয় ও সমৃদ্ধি প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি করা সম্ভব — তাই মুহাম্মদ আলী খানের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা থাকা সত্ত্বেও — আমরা মিস্টার ডুকারেলকে পূর্ণিয়ায় প্রেরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তার কাজ হবে এমন এক রাজস্ব আদায় পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করা, যা এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নতি সাধন, রায়তদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং আমাদের নিয়োগকর্তাদের স্বার্থরক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম ভূমিকা পালন করবে। গত বছর এই প্রদেশে দায়িত্ব পালনকালে মিস্টার ডুকারেল যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং তার কর্মদক্ষতা সম্পর্কে আমাদের মনে যে উচ্চ ধারণা রয়েছে—তার ওপর ভিত্তি করে আমরা প্রবলভাবে আশাবাদী যে—একটি যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং এই প্রদেশের প্রকৃত আর্থিক মূল্য নিরূপণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় হিসাবপত্র সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে তিনি আমাদের প্রভূত সহায়তা করবেন।”
চলবে
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট ফ্রম দ্য সিলেক্ট কমিটি অন দি অ্যাফেয়ার্স অফ দি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সংক্ষেপে দ্য ফিফথ রিপোর্ট।

বিশ্বেন্দু নন্দ