লকডাউনের শুরুর দিন থেকেই নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন ডা. শশী পাঁজা। তাঁর বিধানসভার সবকটি ওয়ার্ডেই কখনও রান্না করা খাবার পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের হাতে, কখনও যৌনপল্লীর কর্মীদের হাতে পৌঁছে দিয়েছেন চাল, ডাল, তেল, নুন ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সঙ্গে অবশ্যই সেনিটাইজার এবং মাস্ক। সবাইকে অনুরোধ করেছেন আপনার বাড়িতে থাকুন। প্রয়োজন পড়লে আমাকে বলুন আমি আপনাদের কাছে এসে উপস্থিত হবো।

কখনও কোনও ক্লাবের ডাকে সারা দিয়েছেন, কখনও এলাকর পূজোকমিটির ডাকে ছুটে গিয়ে তাদের সঙ্গে সেই এলাকার মানুষের মধ্যে শুকনো খাবর দিয়েছেন, কখনও ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে অটো করে ছুটে বেড়িয়েছেন তাঁর বিধানসভার বিভিন্ন প্রান্তে। কখনও ত্রাণ তহবিলের জন্য চেক সংগ্রহ করতে ছুটেছেন তিনি। কখনও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে বাজারে মানুষের আসার নিয়ন্ত্রণে লক্ষ্মণরেখা টেনেছেন। বার বার সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে গিয়ে তাঁদের বুঝিয়েছেন ঘন ঘন রাস্তায় বেরনোটা ঠিক নয়।

আপনি ভালো থাকলে আপনার পরিবার শুধু নয় আপনার আশেপাশের মানুষজনও ভালো থাকবেন। পথে যেতে যেতে মাইক হাতে অসংখ্যবার অটো থেকে নেমে মানুষকে বুঝিয়েছেন। কখনও শিশুদেরকে পরিয়ে দিয়ছেন মাস্ক, তাদের সঙ্গে বসে পরে খেলেছেন একদান লুডো। কাজের ফাঁকে একটু রিল্যাক্স। অদ্ভূত এক সমন্বয় গড়ে তুলেছেন তাঁর কাজের মধ্যে দিয়ে।

কেউ কেউ তো বলেই ফেলেছেন This is the time we can judge who is with you all. এর মধ্যেই আবার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের সংকট। থ্যালেসেমিয়া রোগীদের জন্য নিদেন পক্ষে রক্ত জোগাড় করতে হবে, নিমতলা বালক সমিতি রক্তদানের অনুষ্ঠান করলো, ছুটে গেলেন তিনি ওখানে, কিছুক্ষণ রক্তদাতাদের মধ্যে সময় কাটিয়ে আবার চলে এলেন দুঃস্থ মানুষের পাশে ত্রাণ বিলি করতে।

কেউ কেউ আবার বলেছেন—‘করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনার অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দায়বদ্ধতা ও অসহায় মানুষের জন্য মূল্যবোধ কে পাথেয় করে নিজের শরীর-স্বাস্থ্য-র কথা না ভেবে প্রতিদিন যেভাবে রেশন ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন তা সত্যি শিক্ষণীয়। আপনার এই প্রয়াস কে কুর্নিশ ও অভিননদন জানাই।’ আবার একজন সরাসরি বলেছেন—‘কোভিড-১৯এর জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের বহু সহনাগরিক অসহায় বোধ করেছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সকল মানুষের জীবিকা নির্বাহের এবং সুরক্ষার প্রতি সজাগ, এবং তিনি প্রতিদিন চেষ্টা করছেন সকলের সমস্যার সমাধান করতে। তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই কঠিন সময়ে রাজ্যজুড়ে দুঃস্থ মানুষদের জরুরি সামগ্রী বিতরণ করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। শ্যামপুকুরের মানুষের পাশে সর্বদা। শ্যামপুকুরের নয়নের মনি বিধায়ক ডা. শশী পাঁজা। দিদি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন’।




ডা. শশী পাঁজা, শ্যামপুকুর বিধানসভা, কি বলছেন শুনুন—