এবার আরামবাগ সবজি বাজারে আসা কয়েশো ক্রেতা ও বিক্রেতাকে বাজারে প্রবেশ করার আগে থার্মাল স্ক্রিনিং করা হল। আর শহরের এই বিশালাকার বাজারে আসা মানুষজনদের থার্মাল স্ক্রিনিং করায় তারাও মনে ভরসা পেলেন। সোমবার সাত সকালেই যেখানে বহু মানুষের ভিড় জমে সেখানে আরামবাগ শহর যুব তৃণমূলের উদ্যোগে এই ব্যবস্থা করা হয়। আরামবাগ পুরসভা, থানা ও হাসপাতালের সহযোগিতায় এদিন ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই বেশ কয়েকশো মানুষের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়। মূলত পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ চৌধুরীর উদ্যোগেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সকালে বাজারে থার্মাল স্ক্রিনিং করার পর অফিস টাইমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে গিয়েও থার্মাল স্ক্রিনিং করা হবে বলে জানান ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ চৌধুরী। এদিন সকাল থেকেই এই কাজ শুরু হয়। রাজেশবাবু জানান, এই ব্যবস্থা আরোও আগেই নিতাম আমরা, কিন্তু কিছু সমস্যা ছিল। তা মিটতেই আমরা এদিন থেকেই শুরু করে দিলাম।

আরামবাগের পুরাতন বাজার হল শহরের সব চেয়ে বড় সবজি বাজার। আগে এই বাজার ছিল সদর ঘাট এলাকায়। সেখানে ঘিঞ্জি ও গাদাগাদি হওয়ার জন্য আরামবাগ বয়েজ স্কুল মাঠে আনা হয়। সেখানেই প্রধান ফটকে সকলকে আটকে দিয়ে তাদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়।
ছবি ও সংবাদ : সুভাষ মজুমদার
নিচের ভিডিওটি দেখুন—