ক্ষুদিরাম বাঙালি জীবনের চিরন্তন প্রেরণা। ফাঁসির মঞ্চে হাসি মুখে যিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন তিনি ক্ষুদিরাম। অদম্য সাহস আর নিখাদ দেশপ্রেমের কাছে প্রতাপশালী ব্রিটিশ যার কাছে নতজানু হতে বাধ্য হয়েছিল তিনি ক্ষুদিরাম। আজ প্রয়াণ দিবস। বাঁকুড়ার রানিবাঁধের বারিকুলের ‘ছেঁদা পাথর’ এক ঐতিহাসিক জায়গা। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় এখানেই ছিল বিপ্লবীদের গোপন আস্তানা।
আজ থেকে প্রায় ১১৭ বছর আগে আম্বিকানগরের জমিদার রাইচরণ ধবলদেবের পৃষ্ঠপোষকতায় ছেঁদা পাথরের গোপন গুহায় ক্ষুদিরামদের বোমা বাঁধার কাজ চলত। আর এখান থেকেই বিপ্লবীদের গোপনে স্বদেশী আন্দোলনের কাজ চলত। স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদ ক্ষুদিরাম বসু এইখানে আত্মগোপন করেছিলেন এবং এখানে থেকেই ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিপ্লবী আন্দোলনের পরিকল্পনা করতেন।

আজ সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানালেন রানিবাঁধের বিধায়ক জ্যোৎস্না মান্ডি। উপস্থিত ছিলেন সভাধিপতি, রায়পুর বিধানসভার বিধায়ক বীরেন্দ্রনাথ টুডু, জেলা পরিষদের সদস্য চিত্তরঞ্জন মাহাতো, বিডিও শুভদীপ পালিত, বারিকুল থানার আইসি, পঞ্চায়েত প্রধান প্রমুখ। বিধায়ক জ্যোৎস্না মান্ডি বলেন, তিনি দেশের জন্য মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির দড়ি গলায় পড়েন। অমর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর শহীদ দিবসে তাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাতে পেরে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।

