আবার ঘরে ফেরার পালা এবার মাথাভাঙ্গা বড়শৌলমারী অঞ্চল। ঝড় যে একটা উঠেছে সেটা টের পাওয়া গিয়েছিল কিন্তু এই ঝড়ে যে বিজেপি লন্ডভন্ড হয়ে যাবে সেটা বোঝা যায় নি। লোকসভা ভোটে বিজেপির মোহে কাতারে কাতারে মানুষ বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়ে বিজেপিকে জিতিয়ে ছিল। এমনকি এই অঞ্চল থেকে লোকসভা ভোটে বিজেপি এগিয়েও ছিল। এই তো সেদিনের কথা। এখনও একবছরও হয় নি। মোহভঙ্গ ঘটলো সেই সব নেতা কর্মীদের।

সাংসদ বেপাত্তা যারা তাদের ভোটে পরাজিত হয়েছিল সেই সব পরাজিত মানুষেরাই এই অসময়ে তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। সময়ে অসময়ে খবর নিচ্ছেন। লকডাউনে জর্জরিত সাধারণ মানু,এর সহায় এখন এলাকার ছোট বড়ো তৃণমূল কর্মীরা। বিপদের সময় চেনা যায় কে আসল বন্ধু। বড়ো বড়ো বুলি মেরে মুখে মারিতং জগৎ নয়। পথে নেমে মানুষের পাশে কি ভাবে থাকা যায় তৃণমূল কর্মীরা এই অসময়ে বুকচিতিয়ে লড়ে তা দেখিয়ে দিচ্ছে।

আজ মাথাভাঙ্গা বিধান সভার বড়শৌলমারী অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা আদিবাসী ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ বিভাগের মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের হাত ধরে বহু পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। তাদের একটাই কথা অসময়ে সঠিক বন্ধু চেনা যায়। অসময়ের বন্ধুরাই আসল বন্ধু।