নরেন্দ্র মোদীর তুঘলকি কারবার দেখে মনে এলো সেই চেনা কথাটা। তাঁর অবস্থা ‘ঘরে নেই নুন, ছেলে মিঠুন’। আগে প্রস্তুতি না নেওয়ায় করোনা সামলাতে গিয়ে ল্যাজেগোবরে অবস্থা! রাজ্যগুলিকে কিট দিতে পারেন না, সার্বিয়াতে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠান। ট্রাম্পবাবুর সঙ্গে মোদীবাবু কথা বলে ফাঁপড়ে পড়েছেন। আমেরিকার দশা খুব খারাপ। ট্রাম্পবাবু মোদীবাবুকে বলেছেন, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পাঠান। আমিও খাচ্ছি। কিন্তু কিট ও ল্যাবরেটরি-সহ চিকিৎসা সরঞ্জাম রফতানিতে তো ব্যান বসানো হয়েছে! বসেছে! ট্রাম্পবাবুকেও খুশি রাখতে হবে। তাই কীভাবে ট্রাম্পবাবুকে খুশি করা যায় তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে মোদীবাবুর সরকার। মানুষকেও তার আগে বোকা বানাতে হবে!
এর মধ্যে রবিবার বোরনেস কাটাতে মোদীবাবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অনেক নেতাকে ফোন করেন। তারপর তিনিই বাজারে এই খবর ছেড়ে দেন। জানান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, প্রতিভা পাটিল, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও এইচডি দেবেগৌড়াকে তিনি ফোন করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি মোদী ফোন করেন সোনিয়া গান্ধী, মুলায়ম সিং যাদব, অখিলেশ যাদব, মায়াবতী, নবীন পট্টনায়ক, কে চন্দ্রশেখর রাও, এম কে স্ট্যালিন ও প্রকাশ সিং বাদলকে।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ৮ এপ্রিলের সর্বদলীয় ভিডিও কনফারেন্স যাতে মুখ থুবড়ে না পড়ে সেজন্য মরণকালে হরির নাম নিয়ে নিজের ইমেজ ক্লিন দেখাতে মরিয়া মোদীবাবু!