২৩ এপ্রিল, ২০২২ উদয়নারায়ণপুর ভবানীপুর ঘোষপাড়া বাসস্ট্যান্ডে রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি-সহ বিজেপি সরকারের বৈমাত্রীসুলভ, জন বিরোধী নীতি ও কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হলো। উক্ত প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে উদয়নারায়ণপুর বিজেপির মন্ডল সভাপতি রঞ্জন দেঁড়ে-সহ প্রায় ৭০০ জন বিজেপির বুথ স্তরের দলীয় কর্মী নেতারা যোগদান করেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এঁদের প্রত্যেকের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা।

এদিন প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন সমীরবাবু। তিনি বলেন, ‘শুধু নির্বাচন এলে পরিযায়ী পাখির মতে দেখা যায় বিজেপির দিল্লি ওয়ালাদের মুখে ফুলঝুরির মতে নানা রকম ভাঁওতা দেওয়া প্রতিশ্রুতি, জাত-ধর্মের নামে সংকীর্ণ বিভেদের রাজনীতি, প্রতিহিংসা মূলক ভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে তৃণমূল কংগ্রেসকে মানুষের কাছে বদনাম করার যে চক্রান্ত করার পরিনাম ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি টের পেয়েছে। সদ্য বালিগঞ্জ বিধানসভা ও আসানসোল লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপিকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়েছে সাধারণ মানুষ।’

আগামীতে হাওড়া গ্রামীণ জেলাতেও বিজেপি কে ম্যাপে খুঁজে পাওয়া যাবে না। রাজনৈতিকভাবে বিজেপির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। এদিন প্রতিবাদ সভায় উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক তথা হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান সমীর পাঁজা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি অজয় চক্রবর্তী, উদয়নারায়ণপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপঙ্কর দাস, উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ লকাই দাস, ভবানীপুর বিধিচন্দ্রপুর অঞ্চলের সভাপতি সুখেন্দু চন্দ্র, চেয়ারম্যান অসীম চক্রবর্তী, প্রধান দিলীপ কোলে, গড়ভবানীপুর সোনাতলা অঞ্চলের প্রধান মুনমুন কোঁচ, পার্টি সভাপতি মানবেন্দ্র করাতি, চেয়ারম্যান মিরাজ মল্লিক দেবীপুর-এর প্রধান প্রশান্ত দে-সহ বিভিন্ন নেতৃত্ববৃন্দ।