‘বয়স হওয়া মানেই স্বচ্ছতাকে বিদায় দেওয়া’, একথা আজ আর পুরোপুরি সত্য নয়। বরং ছানি যদি স্বচ্ছ দৃষ্টির অন্তরায় হয়ে থাকে তা হলে ছানি অপারেশনের পর আবার স্বাভাবিক দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাওয়া যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে আধুনিক হয়েছে তার সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত প্রযুক্তি। সেই প্রযুক্তি এতটাই উন্নত হয়েছে যে চশমার ব্যবহারও অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে এবং নানা কারণে নানা প্রোটিনের অপ্রতুলতা থেকে লেন্সের স্বচ্ছতা কমতে থাকে। যাকে আমরা ছানি নামে চিনি। আর এই পরিস্থিতিতে ক্যামেরার লেন্সের মতো চোখের লেন্স বদলও হয়ে যায় অত্যন্ত জরুরি। আর এই লেন্স বদলের সময় অত্যন্ত সহজে আধুনিক লেন্স ব্যবহার করলে চশমার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়।
ছানি পড়ার সব চাইতে সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে আবছা দেখা। ছানি যখন পড়তে শুরু করে চোখের দৃষ্টি ক্রমশ ঘোলাটে হতে শুরু করে। রঙিন দৃশ্যও বিবর্ণ লাগে। দিনের বেলা প্রখর রোদে দেখতে অসুবিধা হয়। আলোর চার ধারে রামধনুর মতো দেখায়। মাঝে মধ্যে একই জিনিস দুটো করে দেখায় বা ডাবল ভিশন হতে পারে। তা ছাড়া পড়াশোনা করা, সেলাই করা বা অন্য কাজ করতে অসুবিধা হতে পারে। তাই ছানি থেকে মুক্তির এক এবং অন্যতম পথ হচ্ছে সার্জারি করা। আর সার্জারির পর সমস্ত বিবর্ণতা মুছে গিয়ে পৃথিবীর রং ফিরে আসা সম্ভব।

এই মুহূর্তে ছানি অপারেশনের জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ফেকোইমালসিফিকেশন বা ফেকো পদ্ধতি। অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ দিয়ে কর্নিয়ার কাছে ছোট্ট ফুটো করে সেখান দিয়ে তীক্ষ্ণ একটি যন্ত্র প্রবেশ করিয়ে শব্দ কম্পনের মাধ্যমে ছানি অপসারণ করা হয়।
মঙ্গলবার উল্টোডাঙ্গা লায়ন্স ক্লাব অফ কলকাতা কাঁকুরগাছি নেত্রালয় এবং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (জ্যোতিরক্ষা হাসপাতাল) আয়োজিত তৃতীয় শিবিরে ১৬ জন গরিব মানুষের অত্যাধুনিক ফেকো অপারেশন করলেন ডাক্টর স্বাতী আগরওয়াল। ফিরিয়ে দিলেন তাদের বয়সকালের দৃষ্টিশক্তি।
এদিনের লায়ন্স ক্লাব অফ কাঁকুরগাছির উদ্যগে আয়োজিত চক্ষুদান শিবির আয়োজন করেন সদস্য সুপ্রসিদ্ধ উদ্যোগপতি এবং জে কে মশলা কোম্পানি-র কর্ণধার লায়ন্স ভগচন্দ জি জেন এবং লায়ন্স অশোক কুমার জৈন। অপারেশন সচিব লায়ন্স রাজেশ ডালমিয়া আগামী দিনে ১০টির বেশি শিবির আয়োজন করার অঙ্গীকার করেন।
Mode of activity for pheco operation (eye) are unbelievable. Congrats the doctors and camping authorities
for next program where I may have to participate and wish.