নিসর্গের সঙ্গীত চলে আপন খেয়ালে। নদী দীর্ঘ আলাপ গায়। ঝর্ণা সরগম। পশুপাখি ধরে তান। কীটপতঙ্গ বোলতান করে। পাহাড়ের চলে বিস্তার। মেঘেরা দেয় তেহাই। প্রকৃতির খামখেয়ালিতে বসন্তে বাজে মল্লারের সুর! ঘনঘোর বর্ষায় হিমালয়ের কোলে ফুলেদের বসন্তবাহার।
৮৭.৫ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে উত্তরাখন্ডের চামোলি জেলায় ফুলের উপত্যকা। বছরে তিনচার মাস সে ফুল্লকুসুমিত উদ্যানে প্রজাপতিদের ওড়াউড়ি, মৌমাছিদের আনাগোনা। তারা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মর্ম বোঝে না। সে কথা মানুষ জেনেছে। তাই জানাঅজানা ফুলের আকর্ষণে দেশবিদেশের মানুষ সেখানে পৌঁছে যাচ্ছে। নয়নাভিরাম ফুলের উপত্যকায় পৌঁছতে হলে ১৪,১০০ ফুট উঁচুতে দশ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে পায়ে হেঁটে পাড়ি দিতে হয়!

দু-বছর আগে বৃষ্টি মাথায় করে তিনবান্ধবী রওনা দিয়েছিলাম ফুলের দেশে। যাত্রা শুরুর আগে ছিল এক প্রস্থ ফুলসজ্জা! ডাক্তারবাবুর কাছ থেকে নেওয়া সুস্থতার প্রমাণপত্র, কোভিদ ছাড়পত্র, পর্বাতরোহণের ধড়াচূড়ো কেনা, ট্রেক দ্য হিমালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ, তাদেরকে আত্ম পরিচয়ের ফিরিস্তি দেওয়া ইত্যাদি ছোটবড় নানাকাজ।
ট্রেনে উঠতেই চোখের আরাম। শ্রাবণের ধারায় বাংলা-বিহারের আউষের খেত তখন জলে ভরোভরো। নদীর জলে যৌবনের লাবণ্য। আরো উত্তরে যেতে দেখছি চাষের জমিতে লকলকিয়ে বেড়ে উঠেছে ভুট্টার শীষ। সবুজের সমারোহে বর্ষামঙ্গলের সাজো সাজো রব চারদিকে।

Saxifraga parnassifolia (স্যাক্সিফ্রাগা পারনাসিফোলিয়া)
প্রায় দেড়দিন ট্রেনে সখিসঙ্গের পর হরিদ্বার। সেখান থেকে চল্লিশ মিনিটের যাত্রাপথে ঋষিকেশ। ঋষিকেশের আকাশে তখন আশঙ্কার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। পুলিশ, দোকানদার, সাধারণ মানুষের সাবধানবাণী, “পাহাড়ে এখন ধস নামে, রাস্তা বন্ধ হয়, মেঘ ফাটে! আমরা পাহাড়িরা ওপরে যাই না, আপলোগ তিন জেনানা, একেলে!!” যেন সঙ্গে পুরুষ থাকলেই সব রাস্তা খুলে যাবে! সব বিপদ যাবে কেটে! আবার ফোনাফুনি ট্রেক দ্য হিমালয়ের লক্ষ্মী নেগীকে। দুর্ভাবনার বিনিদ্র রাত্রি। পরদিন বৃষ্টিভেজা সকালে বাসে ওঠবার সময় দেখা গেল আমাদের দলে সর্বসাকুল্যে পাঁচজন পর্বতারোহিনী। আমরা তিনসখি ছাড়া হায়দ্রাবাদের মা-মেয়ে মধু আর খুশি। পথে যখন ‘মধু’ আছে, আছে ‘খুশি’ আর ‘সান্ত্বনা’ তখন আমাদের আর ভয় কি? হৃষিকেশের এক বৃষ্টিভেজা ভোরে আমরা পাঁচ বীরাঙ্গনা নির্ভয়ে রওনা দিলাম যোশীমঠের পথে।

Potentilla atrosanguinea (পোটেনশিলা আত্রসানগুনিয়া)
ঋষিকেশ থেকে যোশীমঠের পথটি যথেষ্ট বিপদসঙ্কুল। বর্ষায় যেখানে সেখানে ধস নামে। এর মাঝেই রাস্তা চওড়া করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ পাহাড়ের সীমানাকে জাল দিয়ে ঘিরে ফেলার প্রবল কর্মকান্ড ছড়ানোছেটানো। আমাদের সাত আট ঘন্টার দীর্ঘ পাহাড়ি পথে বেশিরভাগ সময় জুড়ে ছিল আরেক সঙ্গিনী চঞ্চলা অলকানন্দা। মন্দাকিনী, পিন্ডারী, ধৌলিগঙ্গা এবং ভাগিরথীরাও আমাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলেছে চলার আনন্দে। পথে যেতে যেতে এরা একে অন্যের সঙ্গে সুযোগ পেলেই গলাগলি করে। সে সঙ্গমস্থান তীর্থক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। মানুষ ভক্তিতে, ভালোবাসায় তার নাম দিয়েছে কর্ণপ্রয়াগ, বিষ্ণুপ্রয়াগ,রুদ্রপ্রয়াগ, নন্দপ্রয়াগ, দেবপ্রয়াগ ।
বিকেল যোশীমঠে পৌঁছে পাহাড়ের মহিমায় আমাদের উৎসাহ দ্বিগুণ।

অনেকটা নিচে নেমে আমরা নৃসিংহদেবের দরজায় পৌঁছলাম। গোধূলি আলোয় নরসিংহ মন্দিরে তখন আরাত্রিকার ঘন ঘন ঘন্টাধ্বনি। আরতি শেষ হতেই গাড়োয়ালী মহিলারা ঢোলক আর মন্দিরা বাজিয়ে ভজন গাইছিলেন। সারাদিন সংসারের কাজকর্ম, গোরুবাছুরের সেবা থেকে এইটুকুই তাদের নিশ্চিন্ত অবসর। ফুলের শোভা দেখতে তাদের দেশে আমরা দৌড়ে এলেও, তাদের পা আটকে আছে সংসারের চৌহদ্দিতে। পরস্পরের সুখদুঃখের বারোমাস্যায়, ভজনেকীর্তনে আমদের যোশীমঠের সন্ধ্যে নিবিড় হল।
পরের দিন সকালে আমরা তৈরি নিখুঁত ট্রেকিং সজ্জায়। পায়ে শক্তপোক্ত জুতো, হাতে লাঠি, মাথায় টুপি, ব্যাকপ্যাকে জল আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। যোশীমঠ থেকে পুলনা অবধি গাড়িতে। তারপর দশ কিলোমিটার পদযাত্রা। সে পথে চড়াই, উতরাই দুইই আছে। ঘন জঙ্গল, ঝর্ণা, কলকল করা পাহাড়ি নদী সব একে অন্যকে জড়িয়ে বেঁচে আছে পরম মমতায়। পাহাড়ের মাথায় মেঘ একবার মুকুট পরাচ্ছে। কখনো মেঘমালা হয়ে নগাধিরাজের গলায় দুলছে!

আমরা মাঝে মাঝে রোদের তাপে, পথশ্রমে ঘামছি। পরক্ষণে বনের ছায়া, ঠান্ডা হাওয়া, হঠাৎ বৃষ্টির ফোঁটা আমাদের শীতল করে দিচ্ছে। আমরা শনৈঃ পর্বতলঙ্ঘনম্ করতে করতে কাঠকুড়ুনি সুন্দরীর সঙ্গে সেলফি তুললাম। নদীর ধারে বসে ধোঁওয়া ওঠা গরম ভাত, ডাল, তরকারী খেলাম। ঝর্ণা দিল আমাদের তৃষ্ণার জল। বৃষ্টিতে ভিজে আদা দেওয়া গরম চা খেতে খেতে উনুনের কাঠের আগুনে নিজেদের সেঁকে নিলাম। আমাদেরই মত শখের পর্বতারোহীদের সঙ্গে খানিক গল্পগাছা হল। কমলারঙা পাহাড়ি শেয়াল একবার দেখা দিয়েই দৌড়ে পালালো ঘন জঙ্গলে। তার আর ছবি তোলা হল না। সন্ধ্যের মুখে ক্লান্তশ্রান্ত শরীরে ঘাঙ্ঘারিয়া বেসক্যাম্প। পরের দিন সকালে আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছে ফুলের উপত্যকা।
ফুলের দেশে যাবার আগের রাতে ঘুম ছিল না। কাঁচের জানলার পর্দা সরিয়ে সান্ত্বনা বারবার দেখছে, কখন ভোর হয়। পাহাড়ের গায়ে কি মেঘ জমে আছে? প্রথম ফুলের প্রসাদ পাবার জন্যে আমরা ভোর ভোর উঠেছি।

বছরের আটমাস বরফের চাদরে ঢাকা এ বাগান রহস্যে ঘেরা। ঈশ্বরের তৈরি এ বাগানেই নাকি সঞ্জীবনী বুটির উপকরণ আছে। নারায়ণের নাভির কমল, ব্রহ্মার জন্মস্থান ব্রহ্মকমল এই পবিত্রভুমিতে পাপড়ি মেলে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের লতাগুল্ম, জড়িবুটির আকর এ ঐশ্বরিক উদ্যান। চোখে রঙের নেশা লাগায়, হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে এ ফুলের মেলায়। কিছু ফুলের নেশা প্রাণান্তকর। সেদিক পানে যাওয়া মানা মর্ত্যের মানুষদের। দুপুরের পর থেকে নির্জন এ বাগানে শুধু ফুলেদের নিভৃত আলাপ। তাই আমাদের পথচলার তাড়া ছিল। কিন্তু তাড়াতাড়ি যাই কি করে? চলব, দেখব না ছবি তুলব? সঙ্কীর্ণ পাথুরে পথ গাছের পাতায়, বৃষ্টির জলে পিচ্ছিল হয়ে আছে। ফুলের দেশের নদীর নামও পুষ্পাবতী। সে ঐ উঁচু পাহাড় থেকে বয়ে আসছে প্রবল বেগে। অতি সাবধানে নড়বড়ে সেতুর ওপর দিয়ে তাকে পার করতে হয়। ছবি তুলতে হয় অতি সন্তর্পণে। অসাবধানতায় কোথায় ভাসিয়ে নিয়ে চলে যাবে পুষ্পাবতী! পুষ্পাবতী ছাড়াও ছোট ছোট জলধারা নেমে আসছে পাহাড়ের গা বেয়ে। আমাদের পায়ে পায়ে উড়ছে রঙ বেরঙের প্রজাপতি। ধীরে ধীরে “জীর্ণ জরা ঝরিয়ে দিয়ে, প্রাণ অফুরান ছড়িয়ে দিয়ে” এক উজ্জ্বল সবুজের হাতছানি চোখের সামনে। যেন বিশাল সবুজ মহার্ঘ জাজিম পাতা পাহাড়ের পায়ের তলায়। পাহাড়ের গায়ে খেলে বেড়াচ্ছে মেঘের দল। যত সে ফুলেল উপত্যকার কাছাকাছি যাচ্ছি, দেখতে পাচ্ছি সবুজ জাজিমে নানা রঙের ফুলকারি। গোলাপি, বেগুনি,নীল, সাদা, হলুদ, লাল, ম্যাজেন্টা, আকাশি, কমলা, বাসন্তী ঈশ্বরের প্যালেটে কোনো রঙের ঘাটতি নেই। ঘন্টার মত ফুলেরা দুলছে হাওয়ায়। প্রজাপতি, তারা, রাংতায় মোড়া লজেন্সের সাজ একদল ফুলের। কোনো ফুল নিজেকেই গেঁথে নিয়েছে মালায়। কিছু ফুলের গঠন, সৌন্দর্য, রঙের বাহার বর্ণনাতীত। ফুলের বাগানে আমরা ছোটাছুটি করছি, সে সময় মেঘ এসে ভিজিয়ে দিল আমাদের। গাইড নরিন্দর আর বিপিনের বেশ বেগ পেতে হল পাঁচ মহিলাকে ফুলের বাগান থেকে তাড়িয়ে আনতে। ফিরতে হবে আমাদের। পাঁচ কিলোমিটার আবার কঠিন পথ। যাওয়ার পথে যে জলধারাগুলি সঙ্কীর্ণ দেখেছিলাম, তারাও এই অল্প সময়েই বেশ স্ফীত হয়ে উঠেছে। মেঘ ছেয়ে ফেলছে পুরো উপত্যকাকে। এ যেন এক অশ্রুত-নিষেধবাণী, এই সৌন্দর্য চর্মচক্ষে বেশিক্ষণ উপভোগ করার নয়, তোমরা ফিরে যাও শহুরে মানুষ। এ নিরালা প্রকৃতি তার আঁচল বিছিয়ে পরম মমতায়, একান্তে রক্ষা করুক তার অমূল্য সম্পদ। ফুলে ফুলে ভরে উঠুক মর্ত্যের এ নন্দনকানন।

ফুলের ঘায়ে প্রায় মুচ্ছো যাবার যোগাড় হয়েছিল, তাই আর পরের দিন হাঁটাহাটির পথে গেলাম না। ঘাঙ্ঘারিয়া থেকে ফিরতি পথে দশ কিলোমিটার অশ্বারোহণ। অষ্টমবর্ষীয়া পূজার পিঠে চড়ে নিজেকে বেশ বীরাঙ্গনা মনে হচ্ছিল।
ফুল দেখার পর বাকি ছিল মানুষ দেখা। পুলনায় পৌঁছে হাতে ছিল অনেকটা সময়। সঙ্গীদের জন্যে অপেক্ষা করছিলাম নদীর ধারের ঝোপড়ি রেস্টুরেন্টে। সেখানে সারা আলির মত ফুটফুটে সুন্দর বালিকা শ্রদ্ধা তার ভাই বোনেদের সঙ্গে নিয়ে বাগানের ন্যাসপাতি বিক্রি করছিল। পাহাড়ি ঝর্ণার মত তারা খিলখিলিয়ে হাসে, নদীর মত কলকলিয়ে কথা বলে।
একটি তরুণ বাঙালি দল যাচ্ছিল ফুলের উপত্যকায়। তাদের কথোপকথন কানে এল। শ্যামলা মেয়েটি নাকি পাহাড়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বারবার পিছিয়ে পড়ছিল।
সঙ্গীছেলেটি চোখ পাকিয়ে বকল, “এত দেরী করলি, তোকে না ঘাঙ্ঘারিয়ার জঙ্গলে ভালুকে খায়!”
হৃষ্টপুষ্ট ছেলেটি হাঁফাতে হাঁফাতে বলল, “আমি আর হাঁটতে পারছিনা, আমাকে ঘোড়া নিতে হবে।”

গোবিন্দঘাট
পাহাড় যে আমাদের ফিটনেসেরও পরীক্ষা নেয়! আরেক তরুণী তখন ব্যাকপ্যাক থেকে মুড়ি বার করে খাচ্ছে।
ওদিকে দেবদূতের মত সুন্দর গাড়োয়ালি ছেলেরা নেশার বস্তু যোগাড় করে ফেলেছে। ছোট হজমিগুলির মত বস্তুটি (আড়াইশ টাকা দাম বলল, পরে জেনেছি ওটি আফিম) সিগারেটের মধ্যে পুরে তাতে সুখটান দিল। তাতেও নেশা জমল না, বোতল খোলা হল।
কিসের দুঃখ ওদের? নাকি শুধুই সাময়িক উত্তেজনার জন্যে নেশা করা?
কথা বলে জানলাম, ট্যুরিজম নির্ভর উত্তরাখন্ডে করোনার প্রকোপে ট্যুরিস্টের আসা যাওয়া প্রায় নেইই এখন। চারধাম যাত্রা বন্ধ। তাই ওদের হোটেল, গাড়ি, ঘোড়ার ব্যবসায় টান পড়েছে। রাস্তার পাথর ভাঙার কাজ বন্ধ। চাকরিবাকরি এখানে নেই বললেই চলে। চাষের কাজে তেমন আয়ও নেই।

ঘাঙ্ঘারিয়া
এমন সব নেই এর মাঝে আবার কিছু কিছু প্রাপ্তিও হয়। ঋষিকেশে এসে দেখলাম, কোলকাতার এক মেয়ে তার বরকে সঙ্গে নিয়ে একটি রুফটপ রেস্টুরেন্ট খুলেছে। সুন্দর গাছপালা দিয়ে সাজানো খাবার জায়গায় প্রয়োজনে তারা এঁটো বাসন সরাচ্ছে, টেবিল মুছছে। খাবারদাবারও চমৎকার! প্রাণ ঢেলে প্রশংসা করে এলাম তাদের।
ঋষিকেশের আমবাগান ঘেরা পথে সকালের চা খেতে খেতে দেখেছি লাল-হলুদ-কমলা ঘাগরা পরা মহিলা দল বেঁধে হাতে পুঁটুলি নিয়ে গঙ্গাস্নানে পুণ্য অর্জন করতে যাচ্ছেন। তাঁদের লক্ষ্য স্থির। বিশ্বাস অটল। গঙ্গাস্নানে তাঁরা কলুষমুক্ত হবেন।
যোশীমঠে আপেলবাগানের ছবি তুলতে গিয়ে পরিচয় হল এক পর্বত কন্যার সঙ্গে। তাঁর বাড়িতেই আপেলের বাগিচা। দুব্যাগ ভর্তি করে গাছের আপেল এনে দিলেন। একটি পয়সাও তিনি কিছুতেই নেবেন না। বললেন, আমার কথা লিখো তুমি। আমার নাম পার্বতী রাণা। ঠিকানা — তপোবন, যোশীমঠ, উত্তরাখন্ড।

Berberis jaeschkeana & Geranium sylvaticum (বারবারিস জেসচেককিনা এবং জিরানিয়াম সিলভাটিকাম)
কথা দিলাম, লিখব। এদের কথা না লিখলে আমার ভ্রমণকথা সম্পূর্ণ হবে না। এই ফুল, পাখি, নদী, ঝর্ণা, সমুদ্র, পাহাড়, মেঘ, মানুষ সব প্রকৃতির আনন্দের দান। সে আনন্দের দান আমার প্রতিদিনের শ্রাবণের গান হয়ে বেজে উঠবে।
নন্দিনী অধিকারী র লেখা পড়েই আমার দেখা হযে গেল বাস্তব নন্দন কানন।
অপূর্ব সব ফুলের ছবি ।
নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম ।
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ????