মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, জনতার কারফিউ কীভাবে হবে তা ঠিক করবেন মানুষ। কেন্দ্রীয় সরকার আগে করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারকে কিট, মেশিন ইত্যাদি দিক। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বিকেল ৫ টায় থালা, কাঁসর, ঘণ্টা ইত্যাদি বাজিয়ে যাঁরা এই কঠিন সময়ে মানুষের সেবা করছেন তাকে এভাবেই ধন্যবাদ জানাতে।
তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও জনপ্রতিনিধি এই থালা বাজিয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি। অন্তত সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ ছবি দেননি। তবে বিজেপির একাধিক নেতা মিডিয়া ডেকে হাততালি দিয়েছেন। কাঁসর, ঘণ্টা বাজিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ শাঁখ বাজিয়েছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যতিক্রম অবশ্যই বৈশালী ডালমিয়া। বালির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক, প্রয়াত জগমোহন ডালমিয়ার কন্যা। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিয়েছেন শাঁখ ও থালা বাজানোর। সঙ্গে তাঁর ছেলেও রয়েছেন। বৈশালীর মতো বালিতে তাঁর ছায়াসঙ্গী, মহিলা তৃণমূল নেত্রী বিজয় লক্ষ্মী রাওকেও দেখা গিয়েছে শাঁখ বাজাতে। তিনি আবার বৈশালীর ছবি শেয়ার করেছেন। স্বভাবতই এই ছবি সামনে আসায় অসন্তোষ বাড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মনে। বৈশালীর সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল বা রাজ্য সরকারের কোনও বার্তা শেয়ার করতে দেখা যায়নি। অন্য সময় বালির জন্য অনেক কাজ করলেও করোনা মোকাবিলায় অরূপ রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়রা যত তৎপর, বৈশালী ততটা নন বলে অভিযোগ আছে। এর মধ্যে মোদীর ডাকে সাড়া দিয়ে থালা, সেই সঙ্গে অতিরিক্তভাবে শাঁখ বাজানো স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়িয়েছে বালির তৃণমূল নেতৃত্বের।
