দেবাশিস ভট্টাচার্য ।।
২০ মিনিট আগেই জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনলাম। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রবিবার ২২ মার্চ ২০২০ সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অর্থাৎ ১৪ ঘণ্টা জনতা কারফিউ করুন। মাঝে একবার জনতা হাততালি দেবেন। সারা দেশের মানুষকে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি পালন করতে বলছেন। ফোন করলেই কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের নির্দেশিকা শোনানো হচ্ছে। তার অর্থ বুঝলাম। করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বা করোনা ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর তথা কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্বেগ ও কর্মসূচি থাকা দরকার, সেটা এতদিন হয়েও আসছিল। দেশবাসী মানছিল। সবাই জানেন, করোনার ভয়াবহতা কতটা। কিন্তু এটা বোঝা গেল না, একটা নির্দিষ্ট দিনে ১৪ ঘণ্টা জনতা কারফিউ বা মাঝখানে হাততালি দেওয়ার অর্থ কী? এতে কিভাবে ভাইরাস ঠেকানো যাবে? মাস্ক পড়া বা হাতধোয়া প্রয়োজনীয়তা সবাই বুঝেছেন। কিন্তু জনতা কারফিউ ব্যাপারটা কী? সেটা তাহলে শনিবার বা সোমবার বা অন্য দিন নয় কেন? এমন কর্মসূচি রাজনৈতিক দল নেয় ও দেয়। ১৯৮০ সালে অসমে আসু এই জনতা কারফিউ কর্মসূচি নিয়েছিল। ৪০ বছর পর তেমন কর্মসূচি শুনছি। এর অর্থ বুঝতে পারা যাচ্ছে না।