রোজের জীবনে বই খাতার ভার বইতে বইতে ক্লান্ত মন চাইছে চলো যাই খোলা আকাশের নীচে… দুহাত ভরে খুশির নিশ্বাস নিতে মন ছুটে যেতে চাইছে তেপান্তরের মাঠে। ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চারা যখন পিঠে ব্যাগ নিয়ে স্কুলের গেটে প্রবেশ করে, মন চায়… আহা!! যদি ঐ ব্যাগে ভর্তি করা যেত বন্ধুত্বের আমেজ, প্রকৃতির মিষ্টি হাওয়া, নতুন কোন রোমাঞ্চকর বিস্ময়ের জগৎ… তবে এ পৃথিবী অন্য রকম হতো।
এমন ভাবনা চিন্তা করতে করতেই এক বন্ধুর মারফত খোঁজ মিললো কিছু স্বপ্নের ফেরিওয়ালাদের। ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের নিয়ে যারা প্রতি বছর পুরুলিয়াতে যায়। জীবনকে নতুনভাবে চিনতে শেখায় তারা। এই কাহিনী আমার ৯ বছরের মেয়েকে ঘিরে… ওর জন্যই সন্ধান পেলাম এমন এক বিস্ময়কর আজব দুনিয়ার। তিতির, মানে আমার মেয়ে ছোট থেকে ঘুরতে ভালবাসে। ৭ বছর বয়সে সান্দাকফু ট্রেক করা থেকে হাতেখড়ি। তারপর আমাদের ইচ্ছে ছিল ওকে এমন কোন এ্যাডভেঞ্চারে সামিল করা। সেই ইচ্ছে বাস্তব রূপ পায়। এক বন্ধুর কাছ থেকে ক্লাইম্বারস সার্কেল (climbers’ circle) গ্রুপের কথা শুনি। যোগাযোগ করি ওনাদের অন্যতম চিফ ইনস্ট্রাকটর (Chief instructor) প্রবীর বিশ্বাস বাবুর সাথে। ওনার থেকে জানতে পারি যে, ডিসেম্বরের ২৭ তারিখ রাতের ট্রেন ধরে পুরুলিয়ার যাত্রা শুরু এবং নতুন বছরের ১ জানুয়ারি ভোরবেলা সেই যাত্রা শেষ হবে। ওনারা ৮ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের নিয়ে (জুনিয়র এ্যাডভেঞ্চাক ক্যাম্প) Junior Adventure Camp প্রতিবছর ব্যবস্থাপনা করেন। এ কথা শুনে আমরাও আগ্রহের সাথে ওনাদের পাঠানো (অনলাইন ফর্ম) online form fill up করি, অগ্রিম কিছু টাকা দিয়ে মেয়ের নাম নথিভুক্ত করি। ওনাদের কথামতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা হয় ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি।

মা হিসেবে এই প্রথম মেয়েকে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে অজানা মানুষদের মাঝে ছেড়ে দেবো, কেমন থাকবে, পারবে কিনা বাচ্চাটা সেখানে নিজেকে মানিয়ে নিতে… এই সব চিন্তা আমাকে বিচলিত করছিলো। মনে মনে চাপা টেনশন থাকলেও ২৬ তারিখ মেয়ের বড় রুকস্যাক গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। মোটা জ্যাকেট, ২ সেট ফুলহাতা জামা প্যান্ট, সোয়েটার, টুপি, মোজা, থালা কাপ চামচ-সহ প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, টর্চলাইট, কম্বল/স্লিপিং ব্যাগ, ছোট ডে ব্যাগ, এমন দরকারী জিনিস-সহ রুকস্যাক গুছিয়ে মেয়েকে নিয়ে ২৭ তারিখ রাত ৮টা নাগাদ রওনা হলাম হাওড়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে। গ্রুপের সবাই নতুন বিল্ডিং এর অনুসন্ধান-এর সামনে থাকবেন… রাত ৯.৩০ থেকে। আমরাও পৌঁছে গেলাম সে সময়ে হাওড়া স্টেশনে। সেখানে বেশ জমজমাট ব্যাপার নজরে এলো। প্রবীরবাবুর সাথে পরিচয় করার পরে নির্দিষ্ট কাগজপত্র জমা করার পরে বাচ্চাদের ট্রেনের সিট নং দেওয়া হলো। ওদের পর পর প্ল্যাটফর্মের চেয়ারে বসতে বললেন গ্রুপের instructor-রা। অনেক সময় ধরে বসে থেকে বুঝলাম… এ এক অনেক বড় কর্মকান্ড। প্রায় ৮৭ জনের এক বড় গ্রুপ নানারকম ভাগে বিভক্ত। তাই গ্রুপ অনুযায়ী টুপি দিয়ে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছিল গ্রুপ মেম্বারদের। আমি হাওড়া স্টেশনে বসে যতটুকু বুঝেছি —
সবুজ টুপি পরানো হয় junior adventure camp-এর ছোট্ট সদস্যদের। হলুদ টুপি দেওয়া হয় senior adventure camp-এ যারা অংশ গ্রহণ করেন, এই গ্রুপটিতে বিশেষত অনেক ছোট বাচ্চাদের বাবা-মায়েরাও যোগদান করেন। নীল রঙের টুপি পরেছিল নানা বয়সী বিশেষত তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা। ওরা rock climbing course করতে ঐ গ্রুপে যোগদান করে। এ বাদে লাল টুপি পরিহিত হয়ে সমস্ত সব কর্মযজ্ঞ সুসম্পন্ন করার দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনটে গ্রুপের instructors।

রাত ১১.৪৫ নাগাদ ট্রেন নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে ঢোকার পরে লাইন দিয়ে গ্রুপ অনুযায়ী সবাই এগোতে থাকে তাদের জন্য বরাদ্দ কামরায়। ছোট্ট বাচ্চাদের ৫-৬ জন করে দায়িত্ব দেওয়া হয় instructor-দের। তারা দায়িত্ব-সহ বাচ্চাদের নির্দিষ্ট সিটে বসিয়ে রাতের ঘুমের জায়গার বন্দোবস্ত করতে সাহায্য করলেন। পরের দিন সকাল ৭ টা নাগাদ পুরুলিয়ার পরের স্টেশন ‘টামনা’ তে নামলো সবাই দল বেঁধে। তারপর একদল নানাবয়সী এ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষ ম্যাজিক গাড়ি চেপে বেড়িয়ে পড়লো ওদের ডেসটিনেশন… ঢোলবুরু পাহাড়।
এরপর যতটুকু মেয়ের মুখ থেকে শুনেছি তা থেকে যা যা ধারণা করলাম, তা কিছুটা লেখার চেষ্টা করছি। তবে এ অভিজ্ঞতা লেখায় বোঝানোর নয়, কারণ ওরা কচিকাঁচারা হাতেকলমে জীবন থেকে যা যা শিক্ষা নিয়ে এসেছে তা জীবন ভর মনে থাকার কথা।

ঢোলবুরু পাহাড়ের কোলে ওদের বেস ক্যাম্প ছিলো। সেখানে পৌঁছে নিজেদের ব্যাগপত্তর রেখে সবাই মিলে আলাদা আলাদা দলে ভাগ হয়ে ওদের কার্যকলাপ শুরু করে। ক্যাম্পের নিয়ম শৃঙ্খলা সম্পর্কে ওদের অবগত করা হয়। তারপর ব্রেকফাস্ট করে কাছাকাছি চড়াইপথে উঠে পাশের পাহাড় গজাবুরুর লেক দর্শন থেকে পরিযায়ী পাখি বালিহাঁসের সাথেও ওদের পরিচয় হয়। মেয়ের মুখে যখন শুনলাম যে, পর্বত কি করে লাভাস্রোতের মাধ্যমে তৈরি হয়, বেশ মজাই হচ্ছিল শুনে। এছাড়া স্থানীয় সাঁওতালি ভাষায় ‘বুরু’ মানে পাহাড়, সে কথাও জেনে এসেছে। তবে গজাবুরু মানে হাতির শূঁড়ের মত পাহাড়, তা নাকি ওদের সে পাহাড় দেখে কোনদিক থেকেই লাগে নি!! যে মেয়ের বাড়িতে খাবার নিয়ে এত বায়নাক্কা সে দিব্বি সকাল দুপুরের খাবার লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থালায় করে নিয়ে খেয়েছে, নিজের কাপ থালা ধুয়ে রেখেছে। সেদিন ওরা পাহাড়ের উপরে উঠে নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে টেন্টে থাকার বন্দোবস্ত করেছিল। দুটো গাছের মাঝে পলিথিন সিট দড়ি দিয়ে বেঁধে ন্যাচরাল ক্যাম্প বানানো থেকে রাতে ওদের থাকার টেন্ট তৈরির পদ্ধতি দিব্বি সুন্দর করে শিখে এসেছে। ইলেক্ট্রিসিটি না থাকলেও টর্চের আলোতে টেন্টে থাকার দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা সে রাতেই প্রথম হয়।
এর মাঝেই ১৭ জন অসম বয়সী কচিকাঁচা কখন যেন বন্ধু হয়ে যায়৷ আর ওদের সঙ্গে থাকা instructor-দের সাথে দাদা-দিদি সম্পর্কের এক দারুণ সখ্যতা তৈরি হয়ে যায়। সন্ধ্যা বেলা সবাই মিলে নিজেদের গল্প আর বিশেষ কোন পারদর্শিতা দেখাতে দেখাতে আরও বেশি কাছাকাছি এসে পড়ে। রাতের আকাশের তারাদের সাথেও সে রাতে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন গ্রুপের instructor-রা। তারপর নিজেদের সাথে আনা ম্যাট্রেস পেতে কম্বল বা স্লিপিং ব্যাগ মুড়ে ওরা তিনজন মেয়ে টেন্টে জড়াজড়ি করে ঘুমিয়েছে রাতের আকাশের নীচে এক অনাবিল আনন্দ নিয়ে।

এরপর দিন ওরা অনেকটা পথ ট্রেক করে করে গজাবুরু পাহাড়ে যায়। সে পথ আবিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয় ওদের। পথের ক্লান্তির বদলে অতি উৎসাহে ধাঁধার সমাধান করতে করতে ওরা এগিয়ে যায় নতুন গন্তব্যে। পথের মাঝে নানা রকম চিরকুট, বা সাংকেতিক চিহ্ন দেখে কি করে পথ চেনা যায়, তার উপায় শিখে এসেছে ওরা। সেদিনের রাতটা আরও বেশি উৎফুল্লতায় কেটেছিলো। সবাই মিলে ফ্রি-মার্কেটিং এর মজা নিতে নিতে খিচুড়ি তৈরির সামগ্রী কিনে আনে। তারপর হাতে হাতে কাজ করে, কেউ সবজি কেটে, একটু বড় বাচ্চারা কাঠের উনুনে খিচুড়ি তৈরি করে। সে খিচুড়ির স্বাদ নাকি স্বর্গীয়, নিজেদের হাতে তৈরি, তাই সে খাবার অনন্য।
তৃতীয় দিনে, ওরা আবার নীচে নেমে আসে। সেখানে rock climbing, rock rappelling-এর মত নতুন অভিজ্ঞতার সূচনা হয়। এত যত্নের সাথে ওদের সাহস দিয়ে instructor-রা শিখিয়েছেন, এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার প্রতি ভীষণ রকমের আকর্ষণ বোধ করছে। এর সাথে জুড়ছে রাতে সব গ্রুপের একসাথে মিশে ক্যাম্প ফায়ার ইভেন্ট। সেখানে ভূতের নাচ থেকে শুরু করে ছোট্ট নাটক বা যাত্রা পালাও উপভোগ করেছে। নানা গ্রুপের থেকে স্পেশাল পারফরম্যান্স করা হয়। নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয় গ্রুপগুলো। ‘মহুয়া’, ‘আকাশমণি’… এমন সব নামের গ্রুপে ওরা ৪ জন করে বিভক্ত ছিল।

এ সবের মাঝে নিজেদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা ছোট নোটবুক বা ডায়রিতে লিখতে হত। এছাড়া গ্রুপ বেঁধে ওরা কাগজের মাস্ক রঙ করে একসাথে কাজ করার মজা পেয়েছে অনেকখানি। জঙ্গলের ঘাস বা লতা পাতা বুনোফুল দিয়ে নিজেদের প্রিয় মানুষদের জন্য নতুন বছরের কার্ড তৈরি করে বাড়ি এনেছে প্রতিটা খুঁদে সদস্য। সে কার্ড বাবা আর মা কে উদ্দেশ্য করে তৈরি…তা দেখেই মন আপ্লূত।
শেষদিন, কাছাকাছি অবস্থিত মাঝের ডুংগরিবুরু তে গেছিলো ওরা। পথে যেতে যেতে স্থানীয় গ্রামের মানুষের রোজের কষ্টের জীবন নজরে আসে। সেখানে মানুষের জলের কষ্ট কতখানি, অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে গিয়ে তবে ওরা জল সংগ্রহ করে, সেখান থেকে জল নষ্ট করার বোধ শক্তি জন্ম নিয়েছে। ওদের সাথে থাকা সুজাতাদিদিও এমন গ্রামের মেয়ে, তার কষ্ট করা জীবন ওদের আরও উদ্বুদ্ধ করে বৃষ্টির অভাবে পাহাড়ের মাটি ফেটে যাচ্ছে, জল নেই… এই উপলব্ধি করতে শেখানো হয় এই ক্যাম্পে। এছাড়া, একজন সর্প বিশেষজ্ঞ ওদের নানা রকমের সাপের সম্পর্কে ধারণা দেন। এবং সাপ যে ক্ষতিকারক প্রাণী নয়, সামনে সাপ এলে কেমন আচরণ করা উচিত সে বিষয়েও বিস্তৃত ধারণা দেওয়া হয়।

দিনের শেষে সবাই মিলে এক জায়গা হয়ে, এই বিশেষ আয়োজনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান করা হয়। প্রত্যেকে এই বিশেষ কর্মশালা বা কোর্স করার সার্টিফিকেট পায়। তারপর আবার যত্ন নিয়ে ওদের সবার ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি ফেরার পালা। সন্ধ্যায় সেই টামনা স্টেশনে এসে আবার সবাই জড়ো হয়। কিন্তু এবার অন্য পরিবেশ। প্রতিটা সদস্য তাদের নিজেদের মত বন্ধু পাতিয়ে নিয়েছে। বাড়ি ফেরার আগে সে যে কত গল্প!! ওদের দেখে কে বলবে… এই তো ৩ দিন আগে পরিচয়। দেখে মনে হচ্ছিল, বহুযুগের বন্ধু ওরা। অবশ্য এ বন্ধুত্ব অন্যরকম। প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও নিজেরা কি সুন্দর করে মানিয়ে গুছিয়ে থাকা যায়, একে অপরের পাশে থাকা যায়, মোবাইল ইন্টারনেটের থেকে দূরে প্রকৃতিকে ভালবাসা যায়, পায়ে হেঁটে নতুন পথ আবিষ্কারের মজা পাওয়া যায়, অচেনা বন্ধুরা একসাথে খাবার বানানো থেকে খাবার ভাগ করে খাওয়া শেখা যায়, খাবার তৈরির পদ্ধতি থেকে বাসনপত্র পরিষ্কার করার নিয়ম শেখা যায়, প্রাথমিক পর্যায়ের পাহাড় চড়া, নদী পাড় করা… এ সব বিষয় সম্পর্কে জানা যায়, অতি প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই করা যায় তার কিছুটা উপলব্ধি করা যায়। আর সবার উপরে শেখা যায়… নানা বয়স, নানা ধর্ম, নানা আর্থিক সাংস্কৃতিক জগতের মানুষেরা এক জায়গায় মিলেমিশে কিভাবে থাকা যায়।

তাই তো এক ঝোলা অভিজ্ঞতার ব্যাগ নিয়ে সেই আমার ছোট্ট মেয়েটা যখন ভোরবেলা হাওড়া স্টেশনে নামলো… ওর আশেপাশে দেখতে পেলাম এক ঝাঁক খুশির হাওয়া। ওর ঝোলায় করে আমাদের বাড়িতে নিয়ে এসেছে কত কাউকে… তিতি দিদি, মিতি দিদি, অরণ্য, অভিজ্ঞান, অত্রি, ডোডোদাদা, জুডদাদা, উজান দাদা, সুহানাদিদি, রাকা, আত্রেয়ী, সুরভীদিদি, অংশিকা, সুজাতাদিদি, অদ্রিত, তমোঘ্ন এমন কয়েকজন বন্ধুকে। আর তাদের সাথে জুড়ে গেছে ওদের instructor-রা, যাঁদের পরিচয়… প্রবীরদা, সাথীদি, রাজদা, রুপিনদিদি, টুয়াদি… এমন করেই এই দায়িত্বশীল মানুষ গুলো এই কয়দিন আমাদের বাচ্চাদের সামলেছেন, ভালবেসেছেন, নতুন করে জীবনকে দেখতে শিখিয়েছেন।
মা হিসেবে এক সপ্তাহ আগে যে দ্বিধা জড়তা ছিল মনে, এক নিমিষে সেই ভয় কাটিয়ে মেয়ের মুখে গল্প শুনে এক নতুন আলোর পথে আমারও ঘুরে আসা হলো। আবারও সামনে কোন এমন ক্যাম্পের অপেক্ষায় আমরা দিন গুনছি। অভিজ্ঞতার ঝুলি আরও ভারি হোক, সেই ব্যাগ বইতে বইতে এই ছোট্ট মানুষগুলো পৌঁছে যাক অনেক সুদূর পথ, পাহাড়ের মত দরাজ হোক ওদের হৃদয়।
খুব মনোগ্রাহী লেখা। সবাইকে উৎসাহিত করবে এই লেখা। আরো বেশি করে আসুক শিশুরা এই ধরণের ক্যাম্পিং এর অভিজ্ঞতা পেতে। প্রকৃতির সাথে ভালবাসা র সম্পর্ক তৈরি হবে।
একেবারে তাই,আর আপনাদের সহায়তায় আরও অনেক বাচ্চারা এই নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা লাভ করুক। ধন্যবাদ আপনাদের।